যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তরা হলেন; নিয়ামতপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের হাতেম আলীর ছেলে হারুন (৪২) এবং সন্তোষপড়া গ্রামের নাজিরের ছেলে টুয়েল (৪৫)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৬ অক্টোবর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ নিয়ামতপুর উপজেলার ছাতড়া বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় একটি মোটরসাইকেলকে থামার সংকেত দিলে তারা গাড়ি থামিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
এ সময় পুলিশ তাদেরকে আটক করে তল্লাশি করে টুয়েলের কাছ থেকে ৬০ গ্রাম এবং হারুনের কাছ থেকে ৪০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে তাদের ব্যবহৃত একটি লাল রঙের ১৫০ সিসির পালসার মোটরসাইকেল জব্দ করে পুলিশ।
পরবর্তী পুলিশ তাদেরকে প্রেপ্তার করে এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯০ এর ১৯ ধারায় মামলা দায়ের করে। মামলাটির তদন্ত এবং তিনজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালত ও স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক সুকান্ত শাহা আসামী হারুনের উপস্থিতিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।
মামলাটি রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট শওকত ইলিয়াস কবির এবং রাষ্ট্র কর্তৃক আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন অ্যাডভোকেট এস এম জুবায়ের।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শওকত ইলিয়াস কবির বলেন, ‘মাদকের মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড একটি নজির। আদালত যে রায় দিয়েছেন এই রায়ে আমরা রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী এস এম জুবায়ের বলেন, ‘আসামি ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলো এমন তথ্য প্রমাণ না পাওয়া স্বত্বেও রায় ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা এই রায় সংক্ষুব্ধ।’





