আজ (সোমবার, ২৩ মার্চ) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সরওয়ার সাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় সড়কের পাশে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও দোকান—যেমন খাবারের রেস্তোরাঁ, যানবাহন মেরামতের ওয়ার্কশপ, ওয়েল্ডিং ওয়ার্কশপ, পোশাক-সামগ্রীর দোকান ও আসবাবপত্রের দোকান—নিজ নিজ দোকানের বাইরে অবৈধভাবে ফুটপাত ও রাস্তা ব্যবহার করছে।
এতে বলা হয়, উদাহরণ হিসেবে রেস্তোরাঁর বারবি কিউ, হাসপাতাল, গ্রিল-কাবাব তৈরির মেশিন, মোটর ওয়ার্কশপের পুরোনো-নতুন টায়ার, বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, ওয়েল্ডিং ওয়ার্কশপের খুচরা মালামাল, পোশাকের দোকানের প্রদর্শনী এবং আসবাবপত্রের দোকানের ফার্নিচার ফুটপাত ও রাস্তার ওপর রাখা হচ্ছে। এমনকি মোটরগাড়ির ওয়ার্কশপ ও পার্টসের দোকানগুলো ফুটপাত ও রাস্তার এক লেন দখল করে গাড়ি মেরামত করছে।
আরও পড়ুন:
গণবিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপির বলেছে, এসব কারণে ফুটপাত দিয়ে পথচারীদের চলাচলে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়ছে। পথচারীরা বাধ্য হয়ে রাস্তা দিয়ে চলাচল করায় সড়কে যানজটও তৈরি হচ্ছে।
এ অবস্থায় মহানগরীর সব এলাকার সংশ্লিষ্ট দোকান, ওয়ার্কশপ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের ফুটপাত ও রাস্তা অবৈধভাবে দখল করে রাখা মালামাল ও সরঞ্জামাদি অনতিবিলম্বে সরিয়ে নেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
অন্যথায় আগামী ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ডিএমপির বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সমন্বয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে আইন অমান্যকারী ব্যক্তি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এর মধ্যে কোদাল, অপরাধ ও সংশ্লিষ্ট মালামাল বাজেয়াপ্ত করার কথাও বলা হয়েছে। এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছে।





