তিনি বলেন, বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের কাছে ঢাকা কাস্টমসের ৪৫৫ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। গেল অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে চার শতাংশ, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ছয় শতাংশ পিছিয়ে।
তিনি আরও বলেন, রাজস্ব বাড়ানোর লক্ষ্যে চলতি অর্থবছরে একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।
এসময় বারবার অগ্নিকাণ্ডের কারণে স্ক্যানারসহ বিভিন্ন লজিস্টিক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কার্যক্রমে ধীরগতি ও নানা সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে বলেও জানান তিনি। এসব সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে পারলে কাস্টমসের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন কমিশনার।
রাজস্ব সুরক্ষা এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কাস্টমস হাউজে পণ্য লিকেজ, চুরি কিংবা শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করলে সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।





