আইনমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্প কার্যকর করতে পারলে ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু হবে। এই ডিজিটাল পদ্ধতির ফলে ভুয়া তালাক, গোপন বিবাহ, জাল বিবাহ সনদ তৈরি এবং সর্বোপরি বাল্যবিবাহ ও অননুমোদিত বহুবিবাহ রোধ করাসহ অনলাইনে দ্রুত বিবাহ ও তালাক সংক্রান্ত তথ্য যাচাই এবং ডিজিটাল সার্টিফিকেট প্রাপ্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
এসময় তিনি আরও বলেন, উদ্যোগটিকে প্রাথমিকভাবে একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের ১০টি জেলার ১০টি উপজেলার ১০২টি ইউনিয়নে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে সরকারের ব্যয় হবে ১১ কোটি টাকা।
এছাড়াও, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী পলাতক শেখ হাসিনা আপিল করলে পরবর্তী বিষয় আইন নির্ধারণ করবে বলেও জানান তিনি।





