মমিনুল ইসলাম বলেন, মশিউর-বানকোসহ পাঁচ ব্রোকারেজ হাউসের ১৭ হাজার ৩৩২ জন বিনিয়োগকারী তাদের পুরো পাওনা ফেরত পাবেন। অর্থাৎ, প্রায় ৯৭ শতাংশ বিনিয়োগকারীর সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থ ফেরত দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের প্রায় ৩৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। বাকি অর্থ ফেরতে প্রয়োজনে আত্মসাৎকারী হাউসগুলোর সম্পদ, শেয়ার ও পরিচালকদের সম্পদ বিক্রি করা হবে বলেও জানান ডিএসই চেয়ারম্যান।
এদিকে, ২০২৭ সালের মধ্যে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে আগ্রহী ব্লুচিপ কোম্পানিগুলো অর্ধেক ফি দিয়ে লিস্টিংয়ের সুযোগ পাবে বলেও জানান তিনি।
ডিএসই চেয়ারম্যান বলেন, বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে ডিএসই। এসময় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় নেয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন ডিএসই কর্মকর্তারা।
