সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর আলোকপাত করা হয়। বৈঠকে বিশেষ করে দু’দেশের স্থলবাহিনীর পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপাক্ষিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বিনিময়, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং কৌশলগত যোগাযোগ বৃদ্ধির নানা দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
উভয়পক্ষই আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উচ্চতর সামরিক প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে পারস্পরিক অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আরও পড়ুন:
অস্ট্রেলিয়ার ডেপুটি আর্মি চিফ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও গৌরবোজ্জ্বল অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় শান্তিরক্ষীদের উন্নত প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ক্ষেত্রে দু’দেশের অংশীদারিত্ব আরও প্রসারিত করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বিগত বছরগুলোতে দু’দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং সামরিক সহযোগিতার ইতিবাচক অগ্রগতির জন্য মেজর জেনারেল ক্রিস স্মিথকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও অস্ট্রেলিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যকার পেশাগত বন্ধন আগামী দিনগুলোতে আরও নিবিড়, গতিশীল ও সুদৃঢ় হবে।




