রোগী আর স্বজনদের ভিড়ে কোথাও যেন ঠাঁই নেই—শ্যামলী শিশু হাসপাতালের বহির্বিভাগের চিত্র কিছুটা এমনই। নিয়মিত রোগীর সঙ্গে যোগ হয়েছে সিজোনাল রোগীর সংখ্যা। এক পরিবারের একাধিক সদস্য আক্রান্ত হচ্ছেন একই সময়ে।
হাসপাতালের তথ্য বলছে, বহির্বিভাগে অন্তত ৫০০ রোগী আসছে হাসপাতালে। তীব্র জ্বর, সর্দী-কাশি, এমনকি ডায়রিয়ার উপসর্গ নিয়ে আসছেন শিশুরা।
ভাইরোলজিস্টরা বলছেন, তীব্র গরমের পর বৃষ্টিতে হঠাৎ তাপমাত্রার পরিবর্তনের এই সময়ে দেখা দেয় ইনফ্লুয়েঞ্জা, চিকনগুনিয়া, সিজোনাল কোভিড, রাইনো ভাইরাসের উপস্থিতি। এসব ভাইরাসে তেমন বড় ক্ষতি না হলেও দীর্ঘ সময় চিকিৎসার বাইরে থাকলে ফুসফুসে সংক্রমণ হতে পারে। শিশুদের সঙ্গে ঝুকিতেঁ পড়তে পারেন প্রাপ্তবয়স্করাও।
হাম-ডেঙ্গুর সঙ্গে টাইফয়েড নিউমোনিয়ায় জটিলতা বেশি দেখা দিচ্ছে, দীর্ঘ সময় ভোগাচ্ছে আক্রান্তদের। এ অবস্থায় বাড়তি সতর্কতার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে অতিরিক্ত ভিড় এড়িয়ে চলা, যেকোনো অস্বাভাবিক উপসর্গে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।





