বৈঠকে বাংলাদেশ-মালয়শিয়া অভিবাসন করিডোরকে অভিবাসী বান্ধব করার লক্ষ্যে আইওএম’র পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়। বিশেষ করে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি অভিবাসীদের সুরক্ষায় উভয় পক্ষ একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।
এসময় মালয়েশিয়ার বিভিন্ন জেলখানা ও ডিটেনশন সেন্টারে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় আইনি ও কল্যাণমূলক সেবা দেয়ার পাশাপাশি তাদের নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা দেওয়ার জন্য আইওএমকে আহ্বান জানানো হয়।
একইসঙ্গে মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সব পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে গঠনমূলক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বিশেষ করে মানবপাচারের শিকার ব্যক্তিদের, বিশেষত নারী ভিকটিমদের উদ্ধার, নিরাপদ আশ্রয়, প্রত্যাবাসন এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া জোরদার করার বিষয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করে।
এছাড়া, নিরাপদ অভিবাসনের প্রসারের পাশাপাশি মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালানের ঝুঁকি ও ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশন ও আইওএম’র যৌথ উদ্যোগে সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার বিষয়েও আলোচনা হয়।
এ ধরনের কর্মসূচিতে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ, কর্মী ও ক্ষতিগ্রস্ত ভিকটিমদের সম্পৃক্ত করার বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়, যাতে সব অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় সচেতনতা বৃদ্ধি করা যায়।
বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি হাইকমিশনার শাহানারা মনিকা।
উল্লেখ্য, নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিতকরণ, মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ এবং অনিয়মিত কর্মীদের সম্মানজনক প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশ হাইকমিশন আইওএম’র সঙ্গে ঘনিষ্টভাবে কাজ করছে।





