প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১ এপ্রিল ২০২৭ তারিখ থেকে এই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ থেকে আনুষ্ঠানিক কর্মী নিয়োগ শুরু করবে জাপান (Japan worker recruitment starting date from Bangladesh)।
১০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি ও প্রধানমন্ত্রীর সফর (Japan BD Worker Recruitment Agreement Validity and PM Visit)
বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জাপানের পক্ষে দেশটির বিচার মন্ত্রণালয় (Ministry of Justice Japan), পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য, শ্রম ও কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ন্যাশনাল পুলিশ এজেন্সির প্রতিনিধিরা এই চুক্তিতে সই করেন।
- চুক্তির মেয়াদ: এই দ্বিপাক্ষিক চুক্তির প্রাথমিক মেয়াদ ৫ বছর, যা পরবর্তীতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও ৫ বছরের জন্য বৃদ্ধি পেয়ে সর্বমোট ১০ বছরে উন্নীত হবে (Japan Bangladesh job agreement 10 years validity)।
- আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরের সময় এই সমঝোতা চুক্তির কপি আনুষ্ঠানিকভাবে দুই দেশের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে (PM visit to Japan BD worker agreement exchange)।
আরও পড়ুন:
উচ্চ বেতন, দীর্ঘমেয়াদি বসবাস ও নারী কর্মীদের বিশেষ সুরক্ষা (Japan Job Salary, Residency Visa and Female Worker Protection Rules)
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, এই চুক্তির ফলে জাপানে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকরা অভূতপূর্ব আইনি সুরক্ষা ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা লাভ করবেন:
- ১. উচ্চ বেতন ও দক্ষতা উন্নয়ন: জাপানি স্থানীয় শ্রমিকদের সমতুল্য বেতন স্কেল এবং আইনি অধিকার উপভোগ করবেন বাংলাদেশি কর্মীরা। দক্ষ শ্রমশক্তির সুবিধার্থে জাপানে দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের সুযোগ মিলবে (Japan worker salary scale and long term residency visa BD)।
- ২. সমান অধিকার ও নারী কর্মীদের সুরক্ষা: কর্মক্ষেত্রে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ করে নারী কর্মীদের জন্য প্রসূতি ও মাতৃত্বকালীন কঠোর আইনি সুরক্ষা রাখা হয়েছে (Japan foreign female worker pregnancy job protection law)।
- ৩. গর্ভধারণে দেশে ফেরত পাঠানো নিষিদ্ধ: কোনো নারী কর্মী গর্ভধারণ বা সন্তান প্রসূতি হলে তাকে চাকরিচ্যুত করা যাবে না এবং জোরপূর্বক দেশে ফেরত পাঠানোর কোনো বাধ্যবাধকতামূলক বিধান এই চুক্তিতে রাখা হয়নি।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:





