আনন্দ, উৎসব, উল্লাস আর বিজয়ের নিশান উড়িয়েই পর্দা নামলো নতুন কু্ঁড়ি স্পোর্টসের প্রথম আসরের। দেশের সেরা সব খুদে ক্রীড়াবিদদের জয়োৎসবে মুখোরিত হলো আর্মি স্টেডিয়াম।
গতকাল (সোমবার, ২৭ জুলাই) নতুন কুঁড়ির সমাপনী অনুষ্ঠানের শুরুটা নিজেদের রঙে রাঙায় সিলেট বালক ফুটবল দল। শেষ মুহূর্তের গোলে দেশসেরা হওয়ার গৌরব অর্জন করে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে দলটি। ফাইনালে দুর্দান্ত গোল করা জিসান জানালেন নিজের অনুভূতির কথা।
সিলেট অঞ্চলের ফুটবলার আরমান খান জিসান বলেন, ‘গোলটা দেয়ার পরে আমার খুব ভালো লেগেছে। কোচ এবং আমার সুনামগঞ্জের মানুষ অনেক খুশি হয়েছে।’
অন্যদিকে মাথায় ৯ সেলাই আর ইনজুরি নিয়েও ফাইনাল খেলেন রংপুর অধিনায়ক অনন্যা। রাজশাহীকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে বিজয় উল্লাস করা রংপুর কাপ্তান জানান নিজের চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এই শিরোপা জয়ের আবেগের গল্প।
আরও পড়ুন:
অনন্যা বলেন, ‘আমার নয়টি সেলাই লেগেছে। খেলাই ছিলো আমার লক্ষ্য, আমি খেলতে অনেক ভালোবাসি।’
এছাড়াও সমাপনী অনুষ্ঠানে ছিলো অ্যাথলেটিক্সের সবচেয়ে আর্কষনীয় দুই ইভেন্ট। বালক ও বালিকাদের ১০০ মিটারের দৌড়। সেখানেও বিজয়ীরা জানান, এত বড় মঞ্চে আসতে পেরে উচ্ছ্বসিত তারা। তবে এখানেই থেমে না থেকে নিজেদের নিয়ে যেতে চান বিশ্বমঞ্চেও।
অনুভূতি জানতে চাওয়া হলে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্রুততম কিশোরী মারিয়া আক্তার বলেন, ‘ভালো লেগেছে। আমি কখনও ভাবিনি যে, প্রধানমন্ত্রী আমার খেলা দেখবেন আর আমার হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন। আমার লক্ষ্য অলিম্পিক এবং এশিয়ান গেমসেও অংশ নেয়া। আমি একজন বড় ক্রীড়াবিদ হতে চাই।’
দ্রুততম কিশোর জাকির হোসেন বলেন, ‘এই অনুভূতিটা ব্যক্ত করার কোনো ভাষা আমার জানা নেই। আমি এই অবস্থানে থাকবো কখনো ভাবিনি। এখন অ্যাথলেট হিসেবে আমি অলিম্পিকে যেতে চাই।’





