৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে আগেই সিরিজ জিতলেও আগের দুই ম্যাচে নড়বড়ে ব্যাটিংয়ে একটা পর্যায়ে জয় শঙ্কায় পড়েছিল বাংলাদেশ। তবে এবার তেমন কিছু হয়নি। তিন বিভাগেই পরিপূর্ণ পারফরম্যান্সে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে টাইগাররা। ছক্কার পর ছক্কা মেরে আফগান বোলারদের তুলোধুনো করেন সাইফ।
রোববার (৫ অক্টোবর) শেষ টি-টোয়েন্টিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৩ রান তোলে আফগানিস্তান। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে ইমনের উইকেট হারালেও হাল ধরেন ওপেনার তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসান।
দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে পথ দেখান সাইফ হাসান। শুরুর দিকে তাকে সঙ্গ দেন তানজিদ তামিম, শেষ দিকে নুরুল হাসান সোহান। ৩৮ বলে ৭ ছক্কা ও ২ চারে চোখ ধাঁধানো ব্যাটিংয়ে ৬৪ রানে অপরাজিত থাকেন সাইফ। তার সঙ্গে ২৪ বলে ৩৫ রানের জুটিতে সোহানের অবদান ৯ বলে ১০।
আহমেদজাইয়ের ১৮তম ওভারের প্রথম বলে সাইফ ছক্কা মেরে যেন নিজেদের দাপটে পূর্ণ মাত্রা যোগ করলেন। এরপর শেষ বলে আবার ছক্কা মারেন নুরুল হাসান।
এতে ২ ওভার হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে যায় বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে তিন ম্যাচের সিরিজে আফগানিস্তানকে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই করে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা দিলো টাইগাররা।
এর আগে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করা আফগানিস্তান ব্যাটিংয়ে বিপর্যয়ে পড়ে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় তারা। তাদের পক্ষে দারউইশ রাসুলি ৩২, সেদিকউল্লাহ অটল ২৮ এবং মুজিব ২৩ রান করেন।
শেষ পর্যন্ত টেইল-এন্ডারে মুজিবের ব্যাটে চড়ে স্কোরবোর্ডে ১৪৩ রান তোলে আফগানরা। বিপরীতে টাইগারদের হয়ে সাইফউদ্দিন সর্বোচ্চ ৩টি এবং নাসুম আহমেদ ও তানজিম সাকিব শিকার করেন ২টি করে উইকেট।
এ ম্যাচে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৪ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা হন সাইফ এবং তিন ম্যাচে দারুণ বোলিং করায় সিরিজ সেরার পুরস্কার ওঠে নাসুম আহমেদের হাতে।

 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)



