চলতি বছর জিম্বাবুয়ে সফরে একমাত্র টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজের দু’টিতেই হেরেছিল বাংলাদেশ। সেই তিক্ত স্মৃতির রেশ না কাটতেই ত্রিদেশীয় সিরিজের মঞ্চে মুখোমুখি দুই দল। ২০ বছর পর নিরপেক্ষ ভেন্যুতে ওয়ানডেতে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে।
এই ম্যাচ দিয়ে ওয়ানডে ফরম্যাটে পূর্ণ মেয়াদে বাংলাদেশের নেতৃত্বে ফিরছেন লিটন দাস। তার অধীনে আগের ৭ ওয়ানডের ৩টি জিতেছিল টাইগাররা। অন্যদিকে আবুধাবিতে ৬ ওয়ানডে খেলে মাত্র দু’টিতে জিতেছে লাল-সবুজরা। ফলে দলীয় রেকর্ডের পাশাপাশি অধিনায়কত্বের দ্বিতীয় পর্বের শুরুটাও ভালো করার চ্যালেঞ্জ থাকবে লিটনের সামনে।
আরও পড়ুন: শেষ টি-টোয়েন্টির আগে ভারতীয় দলে ভুবনেশ্বর কুমার
ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এই সিরিজ থেকেই দল গোছানোর প্রক্রিয়া শুরু করবে বাংলাদেশ। ব্যাটিং বিভাগ মোটামুটি অপরিবর্তিত থাকলেও বোলিংয়ে আসতে পারে পরিবর্তন। ক্যারিয়ারে প্রথমবার বাদ পড়ার শঙ্কায় এশিয়ান গেমসে হতাশ করা মুস্তাফিজুর রহমান। সুযোগ পেতে পারেন রহস্য স্পিনার আলিস আল ইসলাম।
প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে প্রথমবারের মতো আবুধাবিতে ওয়ানডে খেলতে নামবে। অস্ট্রেলিয়ার কাছে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হলেও শেষ ম্যাচে লড়াই করেছিল দলটি। এই ম্যাচে অভিজ্ঞ ক্রেইগ আরভিন ও ব্রেন্ডন টেলরের সঙ্গে নজর থাকবে তরুণ ব্রায়ান বেনেট, বেন কারান ও নিউম্যান নিয়ামহুরির ওপর। নতুন বলে ভরসা ব্র্যাড ইভান্স ও ব্লেসিং মুজারাবানিরা।
আরও পড়ুন: ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন পাথুম নিশাঙ্কা
এখন পর্যন্ত ৮৪টি ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে। যেখানে ৫২টিতেই জয় টাইগারদের। আবুধাবিতে শেষ ৫ ওয়ানডের চারটিতেই জিতেছে প্রথমে ব্যাট করা দল। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পিচ আরও ধীরগতির হওয়ায় ম্যাচের ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে টস।





