তিনি বলেন, ‘আমি যদি একটু কিন্তু খেলতে পারতাম বা আরেকটু বড় করতে পারতাম, হয়তো সিনারিটা অন্যরকম হতো। হয় ওখান থেকে, ওখানে একটা মিস্টেক হয়ে গেছে।’
সেঞ্চুরি করার পর ঠিক এভাবেই দায়ে স্বীকার করে নিলেন অকপটে। টেস্টের দ্বিতীয় সকালের শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে মাত্র ৫৯ রান তুলতেই বাংলাদেশ কেন হারিয়ে ফেলেছিল হাতে থাকা সাত উইকেট? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে সাদমান পাশে দাঁড়ালেন সতীর্থদের।
ওপেনিং নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রীতিমতো বাজে সময় পার করছে বাংলাদেশ দল। ঠিক এমন সময় সাদমানের এই শতক করাটা তাই পুরো দলের জন্যই স্বস্তির। তবে ১৭ ইনিংস পর ক্যারিয়ারের সেঞ্চুরি করেও আত্মতুষ্টিতে ভুগছেন না সাদমান। বরং সামনের দিনগুলোতে এমন সেঞ্চুরিকে আরও বড় করার লক্ষ্যের কথাই জানালেন তিনি।
সাদমান ইসলাম বলেন, ‘আমাদের আরও ভালো করা উচিত। কারণ আমাদের যদি আমরা যদি টপ অর্ডাররা আমরা এই স্কোরটা একটু বড় ১৫০ বা ১৭০, ২০০ হয়, তাহলে হয়তো দলের রান ৪৫০, ৫০০-এ গিয়ে, তো আমাদের ভুল হয়ে গেছে। চেষ্টা থাকবে ইনশা আল্লাহ নেক্সট আমাদের যখন এরকম সিচুয়েশন আসবে, যত বড় করা যায়।’
গত তিন বছরের টেস্ট ওপেনারদের মধ্যে রান সংগ্রহের তালিকায় সাদমান আছেন সাত নম্বরে। অথচ এই সময়ে আট ফিফটির দেখা পেলেও সেঞ্চুরি পেতে অপেক্ষা করতে হয়েছে দীর্ঘদিন। ভালো শুরু পেয়েও কেন ইনিংস বড় করতে পারেননি সে কথারও ব্যাখ্যা দিয়েছেন এই ওপেনার।
সাদমান ইসলাম বলেন, ‘সবসময় আমি চিন্তা করতেছিলাম যে কেন এইটুকু জায়গায় গিয়ে আমি আউট হয়ে যাচ্ছি? তো লাস্ট কিছুদিন আমি এটা নিয়ে অনেক কাজ করছি। আমার কাছে মনে হইতেছিল ফিটনেস ইস্যু হইতে পারে। তো আমি ফিটনেস নিয়ে ভালো কাজ করছি বা হয়তো ব্যাটিংয়ে যেরকম ল্যাকিংস দরকার ছিল মানে ল্যাকিংস ছিল, কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছি। আশরাফুল ভাই ছিল, সালাহউদ্দিন স্যার ছিল। ওনারাও বলছে যে কিছু কাজ কর এগুলা নিয়ে তো হয়তোবা ভালো সাকসেস আসতে পারে, লেটস সি।’
তৃতীয় দিন শেষে মিরপুর টেস্ট বেশ রোমাঞ্চকর অবস্থাতেই রয়েছে। সফরকারীদের চেয়ে বাংলাদেশ ১৩৮ রানে এগিয়ে থাকলেও ক্যারিবিয়ানদের হাতে এখনো ছয় উইকেট। প্রথম ইনিংসে লিড নিতে তাই স্পিনারদের দিকে তাকিয়ে আছে বাংলাদেশ দল। বল হাতে মিরাজ-তাইজুলরা নিজেদের সেরাটা দিতে পারলে ম্যাচটা বাংলাদেশের পক্ষেই আসবে বলে মনে করেন সাদমান।





