পশ্চিম আফ্রিকার ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র কেপ ভার্দে। বিশ্বকাপে প্রথমবার জায়গা করে নিয়েই বাজিমাত। অনেকটা এসে, দেখে, জয় করে নেয়া। বিশ্বকাপে আলোড়ন তোলার পর বদলে যাচ্ছে দেশটির ফুটবলার-কোচ সবার ভাগ্য।
বিশ্বকাপে রীতিমতো হৈচৈ ফেলে দিয়েছিলেন কেপ ভার্দের গোলকিপার ভোজিনিয়া। অনেকের চোখে, এবারের আসরের সেরা গোলরক্ষকও তিনি। স্বাভাবিকভাবেই ৪০ বছর বয়সী ভোজিনিয়াকে নিয়ে শুরু হয় টানাটানি। অবশেষে পর্তুগালের দ্বিতীয় সারির ক্লাব শাভেজ ছেড়ে চিলির শীর্ষ লিগের ক্লাব কোলো কোলোতে যোগ দেন তিনি। ক্যারিয়ারের গোধূলিবেলায় পাচ্ছেন সর্বোচ্চ বেতন-ভাতাও। চিলিয়ান ক্লাবটির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরের পরও ভোজিনিয়া যেন ঘোরের মধ্যেই আছেন!
ভোজিনিয়া বলেন, আমি অনেক প্রস্তাব পেয়েছি। তবে আমার স্বপ্ন ছিল একটা বড় দলে খেলা। এখানে আমাকে সাদরে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। প্রথম মুহূর্ত থেকে নিজের ঘরে ফেরার মত অনুভূতি হচ্ছে। সতীর্থরা সবাই আমাকে এত আন্তরিকতা দেখাচ্ছে! আমি খুবই কৃতজ্ঞ সবার কাছে। আশা করি দলের উন্নতিতে নিজেকে উজাড় করে দিতে পারবো।
জীবন বদলে গেছে ভোজিনিয়ার সতীর্থ সিডনি কাব্রালেরও। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে চোখ-ধাঁধানো এক গোলে রীতিমতো নায়ক বনে গেছেন তিনি। দলবদলে পেয়েছেন তার পুরস্কারও। ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ ৭ মিলিয়ন ইউরো ট্রান্সফার ফি'তে বেনফিকা ছেড়ে পাড়ি জমিয়েছেন টার্কিশ ক্লাব ট্রাবজনস্পোরে। যেখানে তিনি সঙ্গী হবেন সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলার মোহামেদ সালাহর।
ভোজিনিয়া-কাব্রালদের গুরু বুবিস্তাও জাতীয় দল ছেড়ে পাড়ি জমিয়েছেন ক্লাব ফুটবলে। মরক্কোন ক্লাব রেনেসাঁ বারকানের দায়িত্ব নিয়েছেন ৫৬ বছর বয়সী এই কোচ। চলতি বছর মরক্কোন লিগে রানার্স আপ হওয়া দলটিকে আবারও শিরোপা এনে দেয়ার মিশনে নামতে হবে বুবিস্তাকে।





