দেশের ফুটবলের আধুনিক সময়ের সর্বোচ্চ দুই সাফল্য এসেছিল তাদের হাত ধরে। ২০০৩ সালে সাফ এবং ২০১০ সালের এসএ গেমসজয়ী ফুটবলাররা আবারও ফিরলেন সাফল্যের কেন্দ্রে। জাতীয় স্টেডিয়ামে ফুটবলাররা ফিরলেন নিজেদের অতীতে।
প্রীতি ম্যাচের মূল উদ্দেশ্য বর্তমান জাতীয় দলকে অণুপ্রেরণা জোগানো। ২০০৩ এবং ২০১০ দুই দলেই সদস্য ছিলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। নিজের অনুজদের প্রতি অগাধ বিশ্বাস সাবেক অধিনায়কের। বললেন, সাফে সবচেয়ে শক্ত দল হিসেবেই মাঠে নামবেন হামজা-শোমিত-জামালরা।
সাবেক অধিনায়ক ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে যে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের যে খরা ভুগছে, আমরা আশা করছি যে ঢাকার মাটিতে অনুষ্ঠিত সেই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ আবারও মোস্ট ফেভারিট টিম হয়ে তারা চ্যাম্পিয়নশিপ অর্জন করবে। সেই শুভকামনা বাংলাদেশ টিমের প্রতি রইল। বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত যে খেলোয়াড়েরা রয়েছে সকলের রিক্রুটমেন্টে আমি মনে করি যে আমরা অত্যন্ত আশাবাদী।’
২০০৩ সালের সেই দলের আরেক সদস্য হাসান আল মামুন বর্তমানে কাজ করছেন জাতীয় দলের সহকারী কোচ হিসেবে। ড্রেসিংরুমের পরিবেশ বেশ ভালোভাবেই জানা তার। দল কী প্রস্তুত আরেকটা সাফ শিরোপার জন্য? পুরো দেশের কৌতূহল মেটালেন একসময়ের তারকা মিডফিল্ডার।
জাতীয় দলের সহকারী কোচ হাসান আল মামুন বলেন, ‘টুর্নামেন্টের আগে টিমের যে অবস্থা থাকা উচিত, যেটা আমি ২০০৩ এ দেখেছিলাম বা যেকোনো চ্যাম্পিয়ন টিম আমি যখন খেলেছি দেখেছি এনভাইরনমেন্টটা থাকে। আমাদের টিম একচুয়ালি আমাদের টিম লাস্ট ২০২৩-এ টিম কাপ জেতার মতো ছিলো।’
রোকুনোজ্জামান কাঞ্চনের টাইব্রেকারের ৫ম শট নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশের সাফ শিরোপা। সাবেক স্ট্রাইকার বিশ্বাস করেন, বংশোদ্ভূত ফুটবলাররা আরেকটা সাফ নিশ্চিত করবেন চলতি মাসের ১৮ তারিখে।
সাবেক স্ট্রাইকার রোকুনোজ্জামান কাঞ্চন বলেন, ‘যে টিমটা আছে এটা যথেষ্ট ভালো টিম। এই টিমটার বাইরের প্লেয়ার এসে কিন্তু দেখেন এখন টিমটার কিন্তু শক্তি বাড়ছে। আমাদের সময় আমাদের সময় কিন্তু সেই চান্স ছিলো না। আমাদের সময় একটা হামজা পেলে, তাহলে আমাদের টিম আরও ভালো হতো।’
দীর্ঘ ২৩ বছরের অপেক্ষার শেষ করতে দুই শিরোপাজয়ী দল শুভকামনা জানিয়েছেন বর্তমান প্রজন্মকে। অগ্রজদের সেই বিশ্বাসের মান রাখাটাই এখন হামজা-জামালদের বড় চ্যালেঞ্জ।





