মিশন ২০২৬ বিশ্বকাপ; লক্ষ্য-ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বজয়। আর এ লক্ষ্য পূরণে এবার মাঠের লড়াইয়ের আগেই মাস্টারস্ট্রোক দিলো ব্রাজিল। মার্কিন মুলকে সাম্বা ঝড় তুলতে সেলেসাওরা তাদের হেডকোয়ার্টার বানাচ্ছে নিউ জার্সির মরিস টাউনশিপের ‘কলম্বিয়া পার্ক ট্রেনিং ও পারফরম্যান্স সেন্টার’কে।
এ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি বেছে নেয়ার মূল কারণ হলো, এটি উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে উদ্ভাবনী ফুটবল ট্রেনিং সেন্টার। ৮০ একর জমির ওপর গড়ে ওঠা এ হাইটেক দূর্গে থাকছে ৮টি আন্তর্জাতিক মানের ফুটবল মাঠ। যেখানে রয়েছে উত্তপ্ত সেচযুক্ত প্রাকৃতিক ঘাস এবং টার্ফ সারফেসের মিশ্রণ। আধুনিক জিম এবং খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স মাপার জন্য আউটডোর এলাকায় মাল্টি-অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা ট্র্যাকিং সিস্টেম, সেইসঙ্গে মেডিকেল সুইট তো আছেই।
আরও পড়ুন:
সিবিএফ জানায়, দলগুলোর জন্য প্রস্তাবিত ক্যাম্পগুলোর মধ্যে এই পার্কটা ছিলো অন্যতম চাহিদাসম্পন্ন। এ সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন ব্রাজিলের হেডকোচ কার্লো আনচেলত্তি। তিনি বলেন, ‘ট্রেনিং সেন্টারটি নতুন এবং সবধরণের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন। এখানে অনুশীলনের জন্য বিশ্বমানের সুবিধা এখানে রয়েছে।’
এবারের গ্রুপপর্বের বৈতরণী পার হতে ব্রাজিলকে লড়তে হবে গ্রুপ ‘সি’তে। যেখানে সাম্বা ট্যাকটিক্সের পরিক্ষা নেবে মরক্কো, স্কটল্যান্ড এবং হাইতি। নিউ ইয়র্কের ‘নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে’ মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে মাঠের যুদ্ধ। এরপর সেলেসাওরা ক্ষিপ্রতা দেখাবে ফিলাডেলফিয়া আর মায়ামির সবুজ গালিচায়।
আধুনিক প্রযুক্তির এ দূর্গে তৈরি হওয়া ছক কতখানি সফল হবে মাঠের লড়াইয়ে? আনচেলত্তির মগজাস্ত্র আর ফুটবলারদের পায়ের যাদুতে দুই যুগের শিরোপা খরা কি ঘুচবে এবার?—এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে ব্রাজিলের মাঠের ফুটবলে।





