বিশ্বকাপ মানেই শুধু ৯০ মিনিটের লড়াই নয়, এর বাইরে জন্ম নেয় নানা মানবিক গল্প। লস অ্যাঞ্জেলেসে তেমনই এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নজর কাড়ছে দর্শক সমর্থকদের।
'ফ্রি কাটজ, ওয়েলকাম টু এলএ' লেখা একটি সাইনবোর্ড হাতে নিয়ে স্টেডিয়ামের প্রবেশপথের কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন স্থানীয় নাপিত রাউল আরিয়াস। ম্যাচ দেখতে আসা বিভিন্ন দেশের সমর্থকরা কৌতূহল নিয়ে এগিয়ে আসেন, অনেকেই সুযোগটি লুফে নেন।
৩২ বছর বয়সী এই বার্বার জানান, লস অ্যাঞ্জেলেসের বিভিন্ন এলাকায় তিনি নিয়মিত সামাজিক সেবামূলক কাজ করেন। বিশ্বকাপ উপলক্ষে সেই উদ্যোগকে আরও বড় পরিসরে নিয়ে এসেছেন আন্তর্জাতিক অতিথিদের জন্য।
খোলা আকাশের নিচে চেয়ার বসিয়ে শুরু হয় চুল কাটার কাজ। বিশ্বকাপের ব্যানারের পাশেই একে একে সেবা নিতে থাকেন সমর্থকেরা। কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হওয়ার পর যে এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যের উদ্যোগ, তখন আর বাধা থাকেনি কার্যক্রম চালাতে।
আরিয়াস বলেন, ব্যস্ত এই সময়ে নিজের দোকানে কাজ করে অর্থ উপার্জনের সুযোগ থাকলেও তিনি বেছে নিয়েছেন মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার পথ। তার বিশ্বাস, অর্থের চেয়ে স্মরণীয় অভিজ্ঞতা ও মানবিক সংযোগ অনেক বেশি মূল্যবান।
বিশ্বকাপের উত্তেজনার মাঝেও এক টুকরো আন্তরিকতা ছড়িয়ে দিয়ে রাউল আরিয়াস প্রমাণ করেছেন, ফুটবল শুধু খেলা নয় মানুষে মানুষে বন্ধনেরও সেতুবন্ধন।





