বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে জমে উঠছে ইউরোপ বনাম দক্ষিণ আমেরিকার মহারণ। কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিটের লড়াইয়ে মুখোমুখি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ও দুর্দান্ত ছন্দে থাকা নরওয়ে।
ইতিহাস, পরিসংখ্যান আর বর্তমান ফর্ম— সব মিলিয়ে ম্যাচটি হতে যাচ্ছে অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াই। বিশ্বকাপে নকআউট পর্বে ব্রাজিলের অভিজ্ঞতা ঈর্ষণীয়। এবারও জাপানকে নাটকীয়ভাবে হারিয়ে শেষ ষোলোতে উঠেছে সেলেসাওরা।
অন্যদিকে, ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে নরওয়ে জয় করেছে চার ম্যাচের মধ্যে তিনটিতে, আর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে জায়গা করে নিয়েছে নকআউট পর্বে।
চোখ থাকবে দুই সুপারস্টারের দিকে । ব্রাজিলের ভিনিসিয়াস জুনিয়র এবং নরওয়ের আর্লিং হ্যালান্ড দু’জন মিলে এবারের আসরে এরই মধ্যে করেছেন ৯টি গোল। তাদের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যই নির্ধারণ করে দিতে পারে ম্যাচের ভাগ্য।
আরও পড়ুন:
তবে একটি পরিসংখ্যান ব্রাজিলকে ভাবাতেই পারে। চারবারের দেখায় নরওয়েকে এখনো হারাতে পারেনি সেলেসাওরা। দুই জয় ও দুই ড্র নিয়ে মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে স্ক্যান্ডিনেভিয়ানরাই।
তবু কাগজে-কলমে এগিয়ে ব্রাজিল। ভিনিসিয়াস, কাসেমিরো, মারকিনিয়োসদের অভিজ্ঞতার বিপরীতে নরওয়ে ভরসা রাখবে হালান্ড, মার্টিন ওডেগার্ড ও আলেকজান্ডার সোরলথের ওপর।
ইনজুরির কারণে খেলতে পারবেন না মিডফিল্ডার লুকাস পাকেতা। জাপানের বিপক্ষে রাউন্ড অব থার্টি-টু ম্যাচে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান তিনি। তাই তার বিকল্প নিয়েই পরিকল্পনা সাজাতে হচ্ছে কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে।
অন্যদিকে, ব্রাজিল শিবিরে স্বস্তির খবর, দুই সপ্তাহ পর অনুশীলনে ফিরেছেন রাফিনিয়া। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে গ্রুপ পর্বের পর থেকেই মাঠের বাইরে ছিলেন এই উইঙ্গার। এর সঙ্গে দলে আছেন নেইমারও।
কে হাসবে শেষ হাসি, ব্রাজিল নাকি নরওয়ে? সেই প্রশ্নের জবাব পেতে অপেক্ষাটা অল্প কিছু সময়ের।




