ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে আধিপত্য দেখানো স্পেন জয়সূচক গোলটি পায় ম্যাচের ১০৬ মিনিটের মাথায়। এমিলিয়ানো মার্তিনেজের দুর্ভেদ্য দেয়াল ভেঙে নিকো উইলিয়ামসের পাস থেকে ফেরান টরেস বল জালে জড়ালে উদযাপনে মাতে স্পেনের খেলোয়াড় ও সমর্থকরা।
পুরো ম্যাচে আক্রমণের পর আক্রমণ চালায় স্পেন। অপরদিকে একের পর এক শট ঠেকিয়ে বারবার স্পেনকে হতাশ করেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। ম্যাচে মোট ১১টি গোলমুখের শট ঠেকিয়েছেন, যার মধ্যে ৫টিই ছিলো ডি-বক্সের ভেতর থেকে। বিশ্বকাপ ইতিহাসে এর আগে কোনো গোলরক্ষক ফাইনাল ম্যাচে এতগুলো বল সেভ করতে পারেনি, তাই এটি একটি নতুন রেকর্ড বটে।
এর আগে, ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিটের শেষে ইনজুরি টাইমে ৯৩ মিনিটের মাথায় স্পেনের পাও কুবারসিকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন এনজো ফার্নান্দেজ। ফলে তিনি মাঠ ছাড়লে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা।
এ ম্যাচে স্পেনের বল দখল ছিলো ৬৫ শতাংশ, অন্যদিকে আর্জেন্টিনার বল দখল ছিলো মাত্র ৩৫ শতাংশ। এছাড়া ম্যাচে গোলমুখে স্পেনের মোট ২০টি শটের বিপরীতে আর্জেন্টিনার শট ছিলো মাত্র ২টি। স্পেনের ২০টি শটের মধ্যে ১২টিই ছিলো গোলপোস্টে।
লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা ম্যাচের পুরো সময়জুড়ে সুন্দর ফুটবলে দেখিয়েছেন দারুণ ফুটবলশৈলী, খেলেছেন মোট ৮৫২টি পাস। এদিকে লিওনেল স্ক্যালোনির শিষ্যরা খেলেছেন মাত্র ৪৬৪টি পাস। ম্যাচের পরিসংখ্যানে প্রায় সবদিক থেকেই এগিয়ে ছিলো স্পেন, দেখিয়েছে আধিপত্য।





