মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মূল জটিলতা বাজেট বরাদ্দের ধরন নিয়ে। জুলাই মাস থেকে এই ভাতা চালু হওয়ার কথা থাকলেও, এটি সরাসরি বাজেট বরাদ্দ নয়-বরং 'নন-এডিপি স্কিম' খাতের আওতাভুক্ত।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৫০০ জন ক্রীড়াবিদের ৬০ কোটি টাকা ভাতার প্রস্তাব এবং 'নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস'-এর ১৪০ কোটি টাকা-সর্বমোট ২০০ কোটি টাকার স্কিম প্রস্তাব গত ৩১ আগস্ট অর্থ বিভাগে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। সরকারি আর্থিক নিয়ম অনুযায়ী অর্থ বিভাগের অনুমোদন ছাড়া টাকা ছাড়ার সুযোগ নেই।
তবে মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে, অর্থ বিভাগের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই খেলোয়াড়রা জুলাই মাস থেকে আটকে থাকা পুরো বকেয়া ভাতাসহ তাদের নিয়মিত অর্থ পেয়ে যাবেন।





