শুরু থেকেই চলেছে স্পেনের চিরচেনা বল দখল ধরে রেখে খেলার নিয়ন্ত্রণের মহড়া। ৬৫ শতাংশ সময়ে বল নিজেদের পায়ে রেখে চাপে ফেলে ডিফেন্ডিং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে খেলতে নামা আলবিসেলেস্তেদের।
সেই চাপ আরও বাড়ে প্রথমার্ধের ৪৪ মিনিটে। ডিফেন্ডার লিসান্দ্র মার্টিনেজ ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়লে পুরো ডিফেন্স লাইনটাই যেন পরিণত হয় ক্ষততে।
বিগত ম্যাচের পরিসংখ্যানের হিসেবে আর্জেন্টিনার দর্শকরো হয়তো দ্বিতীয়ার্ধের দিকে মুখিয়ে ছিলো; আশা করেছিলো ঘুরে দাঁড়াবে লিওনেল মেসির দল।
তবে আজ আর সেটা হতে দেয়নি স্পেনের ‘পজেশনাল ফুটবল’। লিওনেল মেসিকে ‘পকেটবন্দি’ করে রাখে স্প্যানিস মিডফিল্ড। বিশেশজ্ঞরা মনে করছেন, আর্জেন্টিনার এমন পরাজয়ের মূল কারণ মেসি তার স্বভাবসুলভ খেলাটা খেলতে না পারা।
আরও পড়ুন:
সেমিফাইনালে যেমন ইংলিশদের বিপক্ষে শেষ ১০ মিনিটে সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়েছিলো, সেই টোটকাও কাজে দেয়নি ফাইনালের মঞ্চে, বরং চিত্রটা ছিলো উল্টো।
নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত টাইমে এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ড যেন ছিলো আর্জেন্টিনার কফিনে শেষ পেরেক। ১০ জনের দলে পরিণত হলে ইয়ামাল-উইলিয়ামসের চাপে বিধ্বস্ত হয় আলবিসেলেস্তেরা।
অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ গড়ালে বলের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি হারায় আর্জেন্টিনা। আর সেই সুযোগেই ১০৬ মিনিটে বদলি নামা ফেরান তোরেসের গোলে এগিয়ে যায় স্পেন।
ভক্ত-সমর্থকরা মনে করছেন, অতিরিক্ত মেসি নির্ভরতা আর বল পজেশন হারানো— এই দুইয়েই মূলত তীরে এসে তরী ডুবেছে আলবিসেলেস্তেদের।
তবে এতো বাজে পারফরম্যান্সের ভিড়ে আলাদা করে নজর কেড়েছে আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমেলিয়ানো মার্টিনেজ। বিশ্বকাপের ফাইনালে সব্বোর্চ গোল ঠেকানোর রেকর্ড গড়েছেন গত আসরে বিশ্বকাপ জেতানো গোলপোস্টের এ অতন্দ্রপ্রহরী।




