ফজিলত
আশুরার রোজার নিয়ত যেভাবে করবেন, জানুন সহিহ নিয়ম

আশুরার রোজার নিয়ত যেভাবে করবেন, জানুন সহিহ নিয়ম

ইসলামী শরীয়তে মহররম মাসের ১০ তারিখ অর্থাৎ ‘পবিত্র আশুরা’ (Holy Ashura) অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও বরকতময় একটি দিন। এই মহিমান্বিত দিনে রোজা রাখার বিশেষ তাগিদ ও ফজিলত রয়েছে। তবে যেকোনো ইবাদতের কবুলিয়তের প্রধান শর্ত হলো সঠিক নিয়ত। আশুরার রোজার নিয়ত করার সঠিক সময়, বাংলা ও আরবি উচ্চারণ এবং এর ফজিলত নিয়ে অনেকের মনেই নানা জিজ্ঞাসা থাকে।

আশুরার রোজা কি একটি রাখা যাবে? জানুন মহররমের রোজা ও তাৎপর্য

আশুরার রোজা কি একটি রাখা যাবে? জানুন মহররমের রোজা ও তাৎপর্য

মহিমান্বিত ও তাৎপর্যপূর্ণ ইসলামি মাস মহররমের আগমন ঘটেছে। এই মাসের ১০ তারিখকে পবিত্র আশুরা (Holy Ashura 2026) বলা হয়, যা মুসলিম উম্মাহর কাছে অত্যন্ত বরকতময় ও ফজিলতপূর্ণ একটি দিন। তবে প্রতিবছর মহররমের আগমন ঘটলেই সাধারণ মুসলমানদের মনে একটি প্রশ্ন বারবার উঁকি দেয় আশুরার রোজা কি একটা রাখা যায় (Can we keep one fast for Ashura), নাকি দুটি রোজা রাখা আবশ্যক?

মহররমকে কেন ‘আল্লাহর মাস’ বলা হয়? জেনে নিন ফজিলত ও তাৎপর্য

মহররমকে কেন ‘আল্লাহর মাস’ বলা হয়? জেনে নিন ফজিলত ও তাৎপর্য

ইসলামি নববর্ষ বা হিজরি সনের প্রথম মাস হলো পবিত্র মহররম মাস (Muharram month significance)। মুসলিম উম্মাহর কাছে এই মাসের গুরুত্ব ও মর্যাদা অপরিসীম। পবিত্র কোরআনে যে ৪টি মাসকে বিশেষভাবে সম্মানিত ও যুদ্ধবিগ্রহ নিষিদ্ধ মাস (Four sacred months in Islam) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, মহররম তার মধ্যে অন্যতম। এই মাসের ১০ তারিখকে বলা হয় ‘পবিত্র আশুরার দিন’ (Holy Ashura date)।

আশুরার রোজার অনন্য ফজিলত: এক বছর আগের গুনাহ মাফের মহিমান্বিত সুযোগ

আশুরার রোজার অনন্য ফজিলত: এক বছর আগের গুনাহ মাফের মহিমান্বিত সুযোগ

আরবি সনের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখকে পবিত্র আশুরা (Holy Ashura) বলা হয়। ‘আশুরা’ শব্দের উৎপত্তি আরবি ‘আশারা’ শব্দ থেকে, যার অর্থ হচ্ছে দশ। পৃথিবীর সূচনা লগ্ন থেকে এই মহিমান্বিত দিবসে বহু স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। ইসলামের ইতিহাসে আশুরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময় এক অধ্যায় (Ashura Roza Fazilat: A Divine Opportunity to Erase Past Year's Sins in Muharram)।

আশুরার রোজার বিধান যেভাবে এলো: জেনে নিন সঠিক নিয়ম ও হাদিস

আশুরার রোজার বিধান যেভাবে এলো: জেনে নিন সঠিক নিয়ম ও হাদিস

ইসলামের ইতিহাসে নানা তাৎপর্যপূর্ণ, স্মরণীয় ও অলৌকিক ঘটনার সাক্ষী পবিত্র আশুরা। আরবি ‘আশারা’ (Ashara) শব্দ থেকে ‘আশুরা’ শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে, যার শাব্দিক অর্থ হলো '১০'। হিজরি বা আরবি সনের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখকে পবিত্র আশুরা বলা হয় (Holy Ashura 10th Muharram)। পৃথিবীর সৃষ্টিলগ্ন থেকে এই পবিত্র দিবসে বহু ঐতিহাসিক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। তবে ইসলামে আশুরার রোজার বিধান কীভাবে এলো এবং এর গুরুত্ব কতটা, তা প্রত্যেক মুসলমানের জেনে রাখা জরুরি (History and Rules of Ashura Fasting in Islam)।

হজ করে ফিরে ৪০ দিন কি বাড়ির বাইরে যাওয়া যায় না? জানুন ইসলামের সঠিক বিধান

হজ করে ফিরে ৪০ দিন কি বাড়ির বাইরে যাওয়া যায় না? জানুন ইসলামের সঠিক বিধান

হজ মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে সর্বোত্তম আমলগুলোর একটি। সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলিমের জন্য জীবনে একবার হজ করা ফরজ। চলতি বছর গত ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ইতোমধ্যে হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে হাজিদের দেশে ফেরার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। তবে আমাদের সমাজে একটি প্রচলিত ধারণা রয়েছে যে, হজ থেকে ফিরে নারীদের নিয়ম (Rules for Women After Hajj) অনুযায়ী নাকি ৪০ দিন বাড়ি থেকে বের হওয়া যায় না কিংবা পর-পুরুষের সামনে যাওয়া নিষেধ। আসলে ইসলাম কী বলে?

জিলহজ্ মাসের প্রথম ১০ দিনের ১৫ আমল ও ঈদের নামাজ আদায়ের নিয়ম

জিলহজ্ মাসের প্রথম ১০ দিনের ১৫ আমল ও ঈদের নামাজ আদায়ের নিয়ম

ইসলাম ধর্মে জিলহজ্ (Dhul Hijjah) মাস অন্যতম সম্মানিত ও ফজিলতপূর্ণ একটি মাস, যা আমাদের মাঝে নিয়ে আসে পবিত্র হজ এবং মহান ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত কোরবানি। পবিত্র কোরআন (Quran)-এ এই মাসের প্রথম ১০ রাতকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে এবং মহান আল্লাহ তাআলা সুরা ফজরে এই ১০ রাতের কসম খেয়েছেন। বছরের অন্য যেকোনো সাধারণ দিনের তুলনায় জিলহজের প্রথম ১০ দিনের ইবাদত আল্লাহর কাছে অধিক পছন্দনীয় (15 Actions of First 10 Days of Dhul Hijjah)।

রাব্বি জিদনি ইলমা-এর অর্থ ও ফজিলত

রাব্বি জিদনি ইলমা-এর অর্থ ও ফজিলত

ইসলামের দৃষ্টিতে দোয়া হলো একটি মৌলিক ইবাদত। বিশেষ করে জ্ঞান ও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির (Increase memory power) জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করার কোনো বিকল্প নেই। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত একটি দোয়া (Fajilat of Rabbi Zidni Ilma) এ বিষয়ে অত্যন্ত কার্যকর হিসেবে পরিচিত, যা খোদ রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।

দরুদে ইব্রাহিমের ফজিলত: ১০টি বিশেষ নেয়ামত ও অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ

দরুদে ইব্রাহিমের ফজিলত: ১০টি বিশেষ নেয়ামত ও অর্থসহ বাংলা উচ্চারণ

উম্মতের প্রতি নবীজির ছিল গভীর মায়া, সীমাহীন মমতা ও ভালোবাসা। তিনি উম্মতের ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তি চাইতেন। ‘দরুদ’ একটি ফার্সি শব্দ যা ১৭শ শতাব্দীতে বাংলা ভাষায় অঙ্গীভূত হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠ করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ এবং রহমত ও বরকত লাভের মাধ্যম (Durood-e-Ibrahim Benefits)।

কোরবানি না দিলে কি গোনাহ হয়? সামর্থ্যবানদের জন্য ইসলামের কঠোর নির্দেশনা

কোরবানি না দিলে কি গোনাহ হয়? সামর্থ্যবানদের জন্য ইসলামের কঠোর নির্দেশনা

ইসলামি শরিয়তে কোরবানি (Qurbani/Udhiyah) একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও আত্মিক ইবাদত। প্রতি বছর জিলহজ্ব মাসের ১০ থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে কোরবানি করা প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলিমের ওপর আবশ্যক বা ওয়াজিব (Wajib)। কিন্তু অনেক সময় সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও অনেকে অবহেলা করে কোরবানি দেন না। প্রশ্ন হলো, সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানি না দিলে কি গোনাহ হবে?

আপনি কোন প্রকারের হজ করবেন? জেনে নিন হজের প্রকারভেদ ও উত্তম পন্থা

আপনি কোন প্রকারের হজ করবেন? জেনে নিন হজের প্রকারভেদ ও উত্তম পন্থা

হজ ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের (Five Pillars of Islam) একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যা সামর্থ্যবান মুসলমানদের জন্য জীবনে একবার ফরজ। হজ আদায়ের পদ্ধতির ভিত্তিতে ইসলামি শরিয়তে (Islamic Sharia) হজকে প্রধানত তিন প্রকারে ভাগ করা হয়েছে: হজে তামাত্তু (Hajj al-Tamattu), হজে কিরান (Hajj al-Qiran) এবং হজে ইফরাদ (Hajj al-Ifrad)। প্রত্যেকটির নিজস্ব নিয়ম, বৈশিষ্ট্য এবং ফজিলত (Virtues and Rewards) রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে কোন হজ আদায় করেছেন এবং সাহাবিদের কী নির্দেশ দিয়েছেন। এসব বিষয় হাদিসের (Hadith) আলোকে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কাবা শরিফে উল্টোভাবে হাঁটলে কি তাওয়াফ হবে? জেনে নিন শরিয়তের সঠিক বিধান

কাবা শরিফে উল্টোভাবে হাঁটলে কি তাওয়াফ হবে? জেনে নিন শরিয়তের সঠিক বিধান

ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হজ ও ওমরাহ (Hajj and Umrah) পালনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো পবিত্র কাবা ঘর প্রদক্ষিণ করা, যাকে ইসলামি পরিভাষায় তাওয়াফ (Tawaf) বলা হয়। হাজরে আসওয়াদের (Hajr-e-Aswad) কোণ থেকে শুরু করে কাবার চারদিকে সাতবার ঘোরাকে এক তাওয়াফ বলা হয়। তবে তাওয়াফ চলাকালীন ভিড়ের চাপে অনেকেরই বুক বা পিঠ কাবার দিকে ঘুরে যায়। এমতাবস্থায় তাওয়াফ কবুল হবে কি না, তা নিয়ে অনেক হজযাত্রীর মনেই প্রশ্ন জাগে।