
বন্যার ক্ষতচিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছে নেপাল, বাড়ছে জনদুর্ভোগ
পাহাড়ি ঢলের পর সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও ঘুরে দাঁড়তে পারেনি হিমালয় কন্যা নেপাল, প্রতিদিনই বাড়ছে জনদুর্ভোগ। ভূমিধস আর বানের তোড়ে ক্ষত-বিক্ষত ভোটেকোশী আর ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী জেলা। শ্মশানে বিরতিহীনভাবে জ্বলছে চিতার আগুন, দেয়া হচ্ছে গণকবরও। প্রায় সাড়ে ৫০০ বিদেশি পর্যটক আর ৪ হাজারেরও বেশি স্থানীয়র খোঁজ মেলেনি দুর্যোগের ৯ দিন পরেও।

নেপালকে ১০ লাখ ডলার সহায়তা দিলো বাংলাদেশ
বন্যা ও ভূমিধসের পর বিধ্বস্ত নেপালের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। নেপালের দুর্যোগ ও ত্রাণ তহবিলে ১০ লাখ মার্কিন ডলার (১২.৩ কোটি টাকা) অনুদান দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার।

দুর্গম গিরিখাতে উদ্ধারকাজে হিমশিম; বন্যার ছয় দিনেও বিপর্যস্ত নেপাল
দুগর্ম গিরিখাতের কারণে বিধ্বংসী বন্যা-ভূমিধসের ছয়দিন পরও উদ্ধারকাজে হিমশিম খাচ্ছে নেপাল। পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সুড়ঙ্গগুলোতে আটকে পড়া ছয়শোর বেশি শ্রমিকের অপেক্ষায় হাজারও স্বজন।

নেপালে দুর্যোগের ৫ মাস আগেই মিলেছিল ভয়াবহ পরিণতির আভাস!
নেপালে প্রলয়ঙ্করী বন্যা-ভূমিধসের পাঁচ মাস আগেই, আঁচ মিলেছিল যে কী ঘটতে যাচ্ছে সামনে। আসন্ন পরিণতির বিষয়ে সতর্ক করে মার্চে প্রকাশ করা হয় দু’টি প্রতিবেদন। বলা হয়, ১৯৭৫ সালের পর থেকে হিমালয়ের হিন্দুকুশ অঞ্চলে হিমবাহের পুরুত্ব কমেছে ২৭ মিটার পর্যন্ত। ২০ কোটি মানুষের প্রাণ বিপন্ন হবে বলে আভাস দেয়া হয় প্রতিবেদন দু’টিতে।

চীনের নেপাল সীমান্তবর্তী এলাকায় ভূমিধসে নিহত ৭
চীনের শিজাংয়ে নেপাল সীমান্তবর্তী বন্দর এলাকায় ভূমিধসে প্রাণ গেছে সাতজনের। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছে কমপক্ষে ৫৫৪ জন।

ভয়াবহ বিপর্যয়ে নেপালে প্রাণহানি বেড়ে ৬১৬; নিখোঁজ প্রায় আড়াই হাজার
নেপালের তিব্বত সীমান্তসংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছে প্রায় আড়াই হাজারের বেশি মানুষ। আজ (শনিবার, ২৯ আগস্ট) পুলিশের বরাত দিয়ে কাঠমান্ডু পোস্ট এ তথ্য জানিয়েছে।

হিমালয়ে ভূমিধসে ৯৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, জরুরি সহায়তার আহ্বান রেড ক্রসের
হিমালয়ে সাম্প্রতিক ভূমিধসে অন্তত ৯৩ হাজার মানুষ সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং তাদের জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (আইএফআরসি)। একই সঙ্গে সংস্থাটি সেখানে নতুন করে আরও বন্যার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

নেপালের কাদা-পানির তাণ্ডব যেন যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ!
নজিরবিহীন দুর্যোগে ধসে পড়েছে অসংখ্য বহুতল ভবন, কাদার প্রলেপে আবৃত সেগুলো। দুর্যোগের দু’দিন পরও তিব্বত সীমান্তবর্তী নদীগুলো দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে কাদা-পানি। কাদার আস্তরণ পেরিয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে আনা হচ্ছে হতাহতদের, বাড়ছে কান্নার রোল।

হিমবাহ থেকে ছিটকে পড়া তীব্র গতির বরফ থেকেই নেপালের বন্যা-ভূমিধস!
নেপালে নজিরবিহীন পাহাড়ি ঢল নিয়ে ভিন্নমত থাকলেও বেশিরভাগ ভূতত্ত্ববিদের দাবি, হিমবাহ থেকে ছিটকে পড়া তীব্র গতির বরফের চাই থেকেই এই দুর্যোগের উৎপত্তি। আশঙ্কা আছে, চীন-নেপাল সীমান্তে সৃষ্টি হওয়া কৃত্রিম হ্রদ প্লাবিত হলে চলতি সপ্তাহেই তেড়ে আসতে পারে দ্বিতীয় ঢল। এছাড়াও, ভোটেকোশি নদী তীরবর্তী ৩ জেলাকে ‘দুর্যোগ কবলিত অঞ্চল’ ঘোষণা করে সতর্ক অবস্থানে নেপাল সরকার।

নেপালে বন্যা-ভূমিধস: বেড়েই চলেছে নিহতের সংখ্যা
নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭৫ জনে। এখনও নিখোঁজ স্থানীয় ও বিদেশি নাগরিকসহ প্রায় দেড় হাজার মানুষ। এ পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছেন প্রায় ৮০০ জন। এরই মধ্যে নেপাল-তীব্বত সীমান্তে নতুন করে বন্যার ঝুঁকি বাড়ায় উদ্ধার অভিযান স্থগিত করেছে চীন।

নেপাল-তিব্বতের হিমালয় অঞ্চলে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা
হ্রদের পানি উপচে পড়ায় নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে নেপাল-তিব্বতের হিমালয় অঞ্চলে। উদ্ভূত এ পরিস্থিতিতেও নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীদের দল।

নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস: নিহত বেড়ে ১৬২, নিখোঁজ ৬০০ পর্যটক
ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে নেপাল ও তিব্বতে ১৬২ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। এছাড়াও, স্থানীয়সহ নিখোঁজ বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬০০ জনে। এদের মধ্যে ১৩৩ ভারতীয়, ৫৪ জন মার্কিন ও ৩৩ ব্রিটিশ নাগরিক আছেন। উদ্ধার অভিযানে সহায়তার জন্য এগিয়ে এসেছে ভারত ও চীন।