আজ (শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের পানিহারা গ্রামে ওয়ার্ড দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও ইএসডিও আয়োজন করে। এসময় তিনি বলেন, ‘আশপাশের পুকুর ও জলাশয় এবং বৃষ্টির পানি বেশি ব্যবহার করার চেষ্টা করতে হবে।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পরিবেশের সুরক্ষার জন্য প্লাস্টিক বর্জ্য নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মাইক্রো প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন দূষণ চলে আসছে। যা নিয়ন্ত্রণ করতে কাজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি ইট ভাটার ধোঁয়ায় পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। এতে করে ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগব্যাধি মানব শরীরে ছড়িয়ে পড়ছে। উন্নয়নের জন্য ইটের প্রয়োজন আছে। এমনভাবে ইট ভাটা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে যেনো পরিবেশের কম ক্ষতি করে তৈরি করা যায়।’
পাশাপাশি ব্লকসহ অন্য শিল্প নিয়ে কিছু করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানান পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জনপদের মৌলিক সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান করা হবে। সরকার এ লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। কোনো জনপদ পিছিয়ে থাকবে না এবং সুষম উন্নয়ন করা হবে।’
প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বরেন্দ্র জনপদ নিয়ে বলেন, ‘এ জনপদের মানুষের জন্য সুপেয় পানির চাহিদা পূরণ করা হবে। কৃষি কাজ ও গৃহস্থালি কাজেও পানি ব্যবহার করা হয়। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরম হয়। সাধারণ মানুষের যে চাহিদা সরকারসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) যৌথভাবে কাজ করছে।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন, নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, নিয়ামতপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুরশিদা খাতুনমহ অনেকে।
আলোচনা সভার আগে পানিহারা গ্রামের ভোলাপুকুরপাড়ে আম গাছের চারা রোপণ করেন প্রতিমন্ত্রী। পরে পানিহারা গ্রামে জাবঠাপাড়া ‘টেকসই জ্বালানি ও জলবায়ুসহিঞ্চু বায়োগ্যাস প্লান্ট’ উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী।





