সাফের শ্রেষ্ঠত্ব ফেরাতে প্রস্তুত বাংলাদেশ: আমিনুল হক

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক | ছবি: এখন টিভি
0

সাফ ফুটবলের শিরোপা পুনরুদ্ধারের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। নিজেদের মাঠে টুর্নামেন্ট আয়োজনের সম্ভাবনাকে সামনে রেখে স্টেডিয়ামের অবকাঠামো উন্নয়ন, দর্শকদের নিরাপত্তা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

২০০৩ সালে ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। সেই সাফল্য ফিরিয়ে আনার স্বপ্ন এবারও দেখছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। তবে শুধু স্বপ্ন নয়, মাঠের অবকাঠামো উন্নয়ন থেকে শুরু করে খেলোয়াড়দের প্রস্তুতি সব ক্ষেত্রেই গুরুত্ব দিতে চায় সরকার।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, ‘কেন জানি আমার মনে হচ্ছে, আমরা বোধহয় আবার সেই সাফ, ২০০৩ সালের যে সাফ আমরা পেয়েছিলাম, সেটাকে আবার পুনরুদ্ধার করতে পারব ইনশাআল্লাহ্‌। যে প্রত্যাশা, যে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ নিজের মাটিতে আবারও অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং আমরা যাতে সেটাকে অর্জন করতে পারি। এবং সেই দৃষ্টিকোণ থেকে আমি মনে করি যে, আমাদের বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন, তারাও তাদের মতো করে প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমাদের বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রাও মানসিকভাবে, শারীরিকভাবে তারা প্রস্তুত হচ্ছে। সাফ যেহেতু আমাদের নিজেদের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে এবং সেই সাফকে কীভাবে আমরা অর্জন করতে পারি, কীভাবে দেশের মাটিতে, দেশের মানুষের যে প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের যে প্রত্যাশা, সেটা পূরণ করতে পারি।’

টুর্নামেন্ট আয়োজনের আর্থিক বিষয়েও থাকছে সমন্বয়ের পরিকল্পনা। গেটমানি কিংবা অন্যান্য ব্যয়ের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও ফেডারেশন একসঙ্গে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

আমিনুল হক বলেন, ‘বিগত সময়ে যা হয়েছে, হয়েছে। তবে নতুন সময়ে গেটমানি বা অন্যান্য খরচের ব্যাপারে আন্তরিকভাবে মিলে-মিশে কাজ করবে মন্ত্রণালয়, ক্রীড়া পরিষদ ও ফেডারেশন।’

২০০৩ সালের ফাইনালে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় ছিলো স্টেডিয়ামের বাইরেও। জায়গা না পেয়ে হাজারো সমর্থক মাঠে বসে খেলা দেখতে পারেননি। এবার এমন পরিস্থিতি সামলাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি বিকল্প হিসেবে জায়ান্ট স্ক্রিন স্থাপনের কথাও ভাবছে সংশ্লিষ্টরা।

আমিনুল হক আরও বলেন, ‘সাফ ফুটবলের ফাইনালের বাইরে ১০-১৫ হাজার দর্শক ছিলো, খেলা দেখতে পারেনি। তবে নিরাপত্তার ব্যাপারে প্রশাসন কাজ করবে। দরকার হলে জায়ান্ট স্ক্রিন ভাড়া করে লাগিয়ে দিতে পারে।’

অবকাঠামো উন্নয়ন, সমন্বিত আয়োজন আর দর্শকবান্ধব পরিবেশ সব মিলিয়ে সাফকে ঘিরে নতুন প্রত্যাশা। এখন সেই প্রত্যাশা মাঠের পারফরম্যান্সে রূপ দেওয়াই বাংলাদেশের ফুটবলের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

জেআর