এসময় তিনি বলেন, ‘ধর্মীয় চর্চা করতে এদেশে আর কারো হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হবে না। যার যার ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাংলাদেশে সকলে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি নিয়ে একসঙ্গে বসবাস করবে। কারও ধর্মীয় অধিকার চর্চায় কোনো বাধা দেয়া যাবে না।’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এ বছর পূজা পালনে কচুয়াতে বিগত যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে। আগামীতেও ধর্মীয় উৎসব পালনে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।’
এ সময় বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবি, কচুয়া উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু নাছির, কচুয়া থানার অফিসার্স ইনচার্জ আজিজুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতাকর্মী ও পুণ্যার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।





