জানা যায়, আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে গুদামগুলোতে বিপুল পরিমাণ মালামাল মজুদ করা ছিলো ব্যবসায়ীরা। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে লাগা আগুনে প্রায় ৮০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত আনুমানিক পৌনে ১০টার দিকে উপজেলা সদরের ধান মহাল রোডে হঠাৎ বিদ্যুৎ আসার পরপরই একটি গুদামে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে কলমাকান্দা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দমকল কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।
আরও পড়ুন:
ততক্ষণে ব্যবসায়ী রিপন খান ও স্বপন দাসের দুটি গুদামে থাকা অধিকাংশ মালামাল পুড়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে দেরি করায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কলমাকান্দা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ আশরাফুল ইসলাম বলেন, নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা রওনা দেই এবং সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি।
তিনি আরও বলেন, রিপন খানের গুদামে থাকা জুতার প্রায় সব মালামাল সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। পাশের স্বপন দাসের ত্রিপালের গুদামটি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তদন্তের পর অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত।
পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে এমন দুর্ঘটনায় ব্যবসায়ী রিপন খান প্রায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত এই ব্যবসায়ীর পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।





