অভিযানে নেতৃত্ব দেন কেশবপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেকসোনা খাতুন। এসময় র্যাব-৬ ক্যাম্প কমান্ডার মেজর এ টি এম ফজলে রাব্বী প্রিন্স ও যশোর ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন জানান, গোপনে দীর্ঘদিন ধরে চক্রটি গরুর দুধের সঙ্গে জেলি, সোডা ও তেল মিশিয়ে দুধের পরিমাণ বৃদ্ধি করে এলাকায় বিক্রি করতো। গতকাল অভিযান চালিয়ে ভেজাল দুধের সত্যতা পাওয়া যায়।
ভেজাল দুধ উৎপাদন ও সরবারহ করার দায়ে কারখানাটির মালিক অরুপ ঘোষ, রামপ্রসাদ ঘোষ, বুদ্ধদেব ঘোষ, মিলন ঘোষ ও স্বপন ঘোষকে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এছাড়া বয়স বিবেচনা করে কারখানাটির কর্মচারী পার্থ ঘোষকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫ দিন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।
অভিযান চলাকালীন কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ জেলি, তেল, সোডা এবং ভেজাল দুধ তৈরির অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। জব্দকৃত এসব ক্ষতিকারক উপকরণ জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয়েছে। আটককৃতদের সাজা প্রদানের পর আদালতের মাধ্যমে জেলে প্রেরণ করা হয়েছে।
নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন বলেন, ‘জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ এ ধরণের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। দুধে জেলি ও রাসায়নিক মিশিয়ে যারা সাধারণ মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলছে, তাদের বিরুদ্ধে আমাদের কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে।’





