অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. রাশেদুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বাংলাদেশের কৃষি বিপ্লবের সূচনা এবং গ্রামীণ অর্থনীতি পুনর্গঠনে শহিদ জিয়াউর রহমানের অসামান্য অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি একইসঙ্গে শহিদ জিয়া এবং খালেদা জিয়ার পরকালীন শান্তি ও মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন।
ড. রাশেদুল ইসলাম তার বক্তৃতায় বর্তমান সরকার ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী পদক্ষেপগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করেন। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে প্রবর্তিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং সরাসরি প্রান্তিক কৃষকদের সহায়তা নিশ্চিত করতে ‘কৃষক কার্ড’ চালুর সিদ্ধান্তকে তিনি যুগান্তকারী বলে অভিহিত করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, এই ডিজিটাল ব্যবস্থাগুলো চালুর ফলে দেশের কৃষি ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে এবং এখানে কৃষিবিদদের সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার ও কারিগরি পরামর্শ দেয়ার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।
উপাচার্য জানান, দেশ পুনর্গঠনের এই মহা-যজ্ঞে কৃষিবিদদের পিছিয়ে থাকলে চলবে না। আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গৃহীত প্রতিটি পদক্ষেপ সফল করতে তিনি সব পর্যায়ের কৃষিবিদদের সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার এবং দেশপ্রেম নিয়ে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান। মাহফিল শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।





