আহতরা হলেন— শ্যামপুর ইউনিয়নের কামাত গ্রামের মনিরুল ইসলামের ছেলে জনি, মফিজুদ্দিনের ছেলে ডালিম, আব্দুল হাকিমের ছেলে মুলি এবং বড় হাদিনগর গ্রামের নাসির উদ্দিন।
স্থানীয় বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘দুপুরে বড় হাদিনগর গ্রামের নাসির উদ্দিন বিনাদপুর বাজার থেকে ছাগলের জন্য ঘাস নিয়ে সাইকেলযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে একটি আমবাগানের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ একটি বন্য শুকর তার ওপর আক্রমণ করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।’
আরও পড়ুন:
স্থানীয়রা জানান, বন্য শুকরটির দেহ কিছুটা বিড়ালজাতীয় প্রাণীর মতো দেখতে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি ভারত থেকে এসেছে। গ্রামবাসী ধাওয়া দিলে সেটি দ্রুত পালিয়ে যায় এবং পরে আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল উদ্দিন জানান, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নয়ন মিয়া বলেন, ‘সীমান্তবর্তী এলাকার বিভিন্ন ফসলি জমিতে বন্য শুকরের আক্রমণে ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে। সন্ধ্যার পর অন্ধকার নামলে শুকরের পাল ভারত থেকে দেশে প্রবেশ করে এবং ভোর হওয়ার আগেই আবার ফিরে যায়। এ কারণে কৃষকদের রাত জেগে জমি পাহারা দিতে হচ্ছে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি।’





