হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে, হামে শিশু মারা যাচ্ছে। এ সরকারকে কিছু জিজ্ঞেস করলেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দোষ চাপিয়ে দেন। সে সময় প্রতিদিন আন্দোলন ছিলো। যারা বিভিন্ন দফা দাবিতে আন্দোলন করেছিলেন, আপনাদের সব দাবিকে মানা হয়েছে? এখন আর আন্দোলন নাই কেন, এ আন্দোলন কোথায় গেল?’
তিনি বলেন, ‘ভেবেছিলাম উন্নয়নের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক বৈষম্যহীন যাত্রা শুরু করবে। আমরা দেখতে পাচ্ছি অত্যন্ত নগ্ন ভাবে আঞ্চলিক বৈষম্য শুরু করে দিয়েছে।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘কোনো মাজার, মন্দির জলসায় আঘাত করা হলে আপনারা তা প্রতিহত করবেন। কোনো বিশ্বাসে আপনি কখনো আঘাত করতে পারেন না। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী ভাইদের আমরা সংখ্যা লঘু মনে করি না। আপনারা আমাদের ভাই আপনারা বাংলাদেশি। বাংলাদেশে তারাই সংখ্যালঘু যারা বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে না। বাংলাদেশে আমরা ধর্মীয় সম্প্রীতির উদাহরণ সৃষ্টি করতে চাই। বিশ্বাস যার যার বাংলাদেশ সবার।’
হাসনাত বলেন, ‘নেতার পিছে পিছে ঘুরে, নেতার পিছে কামলা দিয়ে গাড়ির পিছনে দৌড়াইয়া নেতা হওয়া যায় না। আমরা পরিবারতন্ত্রের মধ্যে দিয়ে উঠে আসা নেতৃত্ব চাই না। পরবর্তী বাংলাদেশ তাদেরকে গ্রহণ করবে যারা নিজের যোগ্যতায় দক্ষতায় উঠে আসবে।’
এনসিপি হোমনা উপজেলা সমন্বয়কারী রাজু আহমেদ সরকারের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক নাভিদ নওরোজ শাহ, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আতাউল্লাহ।




