এর আগে গতকাল (রোববার, ৩১মে) দুপুরে রামপাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় হুমায়ুনের দোকানের সামনে ইখলাস গাজীকে মারধর করে রহমান শিকদার ওরফে মাইঝে শিকদার ও তার লোকজন। হাসপাতালে নেয়ার পথেই ইখলাসের মৃত্যু হয়। বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার বিকেলে নিজ বাড়িতে ইখলাসের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি। ইখলাসের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগও দেয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আরও পড়ুন
রামপাল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুব্রত বিশ্বাস বলেন, ‘প্রধান অভিযুক্ত মাহাবুবুর রহমান শিকদার ওরফে মাইঝে শিকদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
নিহত ইখলাস গাজী রামপাল উপজেলার শ্রীফলতলা দক্ষিনপাড়া গ্রামের মৃত দুলাল গাজীর ছেলে। তিনি রামপাল সদর ইউনিয়নের যুবলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। রামপাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেনের গাড়ি চালক ছিলেন। গ্রেপ্তার মাহাবুবুর রহমান শিকদার ওরফে মাইঝে শিকদার শ্রিফলতলা গ্রামের আব্দুল মজিদ শিকদারের ছেলে।





