আজ (সোমবার, ৩ আগস্ট) নগরীর টাইগারপাসস্থ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের কার্যালয়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি, ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপের কার্যক্রম বিষয়ে আয়োজিত এক বিশেষ সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেয়র বলেন, ‘সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে চসিক সীমানাভুক্ত এলাকায় বসবাসরতদের মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর হার শূন্য রয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কম।’
তিনি বলেন, ‘অনেকেই মনে করেন টানা বৃষ্টি হলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে-বাস্তবে বিষয়টি উল্টো। টানা বৃষ্টিতে জমে থাকা পানি ধুয়ে যায়, ফলে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নিতে পারে না। কিন্তু একদিন বৃষ্টি হয়ে দুই-তিন দিন পানি জমে থাকলে সেটিই ডেঙ্গু বিস্তারের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি তৈরি করে। তাই নগরীর প্রতিটি এলাকায় জমে থাকা স্বচ্ছ পানি দ্রুত অপসারণ নিশ্চিত করতে হবে।’
মেয়র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘নগরীর কোতোয়ালি, বায়েজিদ, বন্দর, বাকলিয়া, হালিশহর, পাহাড়তলী, আকবরশাহ, সদরঘাট, ডবলমুরিং, খুলশী, পতেঙ্গা, চান্দগাঁও, ইপিজেড, আগ্রাবাদ ও চকবাজার এলাকাকে বিশেষ নজরদারির আওতায় আনতে হবে। এসব এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।’
সভায় বক্তব্য রাখেন চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, নির্বাহী প্রকৌশলী আশিকুল ইসলাম, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরিফুল ইসলাম মাহিসগ আরও অনেকে।—বাসস





