আজ (রোববার, ৩০ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার চিমটিবিল খাস সীমান্তের শূন্যরেখা থেকে ভারতের অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সোহাগ মিয়া চিমটিবিল খাস এলাকার শফিক মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সোহাগকে পড়ে থাকতে দেখে তারা তাকে উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সিরাজাম মুনিরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের চাচা আব্দুল কাদিরের দাবি, প্রতিদিনের মতো সোহাগ সকালে সীমান্ত এলাকায় গরু চরাতে গিয়েছিলেন। এ সময় গরু ভারতের অভ্যন্তরে চলে গেলে সেটি আনতে গিয়ে বিএসএফের গুলিতে তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
তবে বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সোহাগের মৃত্যুর ঘটনায় বিএসএফ গুলি করেছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি ভারতীয় সীমান্তের বেশ ভেতরে চলে গিয়েছিলেন। ওই এলাকাটি পাহাড়ি ও জঙ্গলঘেরা হওয়ায় সেখানে আন্তঃকোন্দল কিংবা ভারতীয় চোরাকারবারি বা দুষ্কৃতকারীদের কারও গুলিতে তিনি নিহত হয়ে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
বিজিবি জানিয়েছে, ঘটনাটি নিয়ে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রকৃত ঘটনা জানতে সময় প্রয়োজন। চুনারুঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তারেক নাজির বলেন, ‘মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে হবিগঞ্জ জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’





