এরআগে পদ্মার পানি বেড়ে যাওয়ায় জেলার দৌলতপুর উপজেলার চিলমারী এবং রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের প্রায় চল্লিশটি গ্রাম প্লাবিত হয়। এতে পানিপন্দি হয়ে পড়েন অর্ধ লাখ মানুষ।
বন্ধ রয়েছে ৩০টিরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান। পানি কমলেও দুর্ভোগ কমেনি বন্যা দুর্গত এলাকার মানুষের। খাদ্য সংকটসহ নানা রোগ শোকে আক্রান্ত হচ্ছেন তারা।
আরও পড়ুন:
দুর্গত কিছু এলাকায় খাদ্য সহায়তা দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। তবে চাহিদার তুলনায় তা পর্যাপ্ত নয়। এতে ক্ষোভ বাড়ছে দুর্গত এলাকার মানুষের। এদিকে দুর্গত এলাকার মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন বিশুদ্ধ পানির সংকটে।





