এ বছর ফরিদপুর জেলার ৭৮১টি মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১৪৭টি মন্দিরকে অতি গুরুত্বপূর্ণ এবং ২৪৭টিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পূজাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে নেওয়া হয়েছে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলার প্রতিটি উপজেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে একটি করে মোবাইল টিম দায়িত্ব পালন করবে। এসব টিম পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে কাজ করবে।
সরেজমিনে বিভিন্ন পূজামণ্ডপে দেখা গেছে, কোথাও প্রতিমা নির্মাণ ও সাজসজ্জার কাজ শেষ করা হচ্ছে, কোথাও চলছে মণ্ডপের সৌন্দর্যবর্ধন ও আলোকসজ্জার প্রস্তুতি। উৎসবকে আনন্দমুখর করে তুলতে পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন।
ফরিদপুর পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিধান সাহা আশা করছেন, প্রশাসনের সতর্কতামূলক পদক্ষেপ ও সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় এবারের দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে উৎসব উদযাপন এবং পারস্পরিক সহনশীলতা, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য অটুট রাখার আহ্বান জানান তিনি।
ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপনে জেলা পুলিশ সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।’
এদিকে জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম বলেন, দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। পূজার সময় সবাইকে পারস্পরিক সহনশীলতা, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।





