সাজেক থেকে সন্তুলারমার জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে নেয়া এবং সাধারণ মানুষকে হুমকি বন্ধসহ ৩ দফা দাবি পূরণ না হওয়ায় অভিযোগ তুলে নতুন করে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠন দুটি।
আজ বুধবার (১৪ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা ও সাজেক কারবারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা বিবৃতিতে এ অবরোধের ঘোষণা দেন।
বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, প্রশাসনের আশ্বাসের পরও ৩ দফা দাবি বাস্তবায়ন হয়নি। সাজেকের বিভিন্ন এলাকায় জেএসএস সশস্ত্র সদস্যদের অবস্থান ও সাধারণ মানুষকে হুমকি দেওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে।
সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি সদস্য সচিব বিজয় কান্তি চাকমা বলেন, ‘প্রশাসনের আশ্বাসে ৪৮ ঘণ্টার জন্য অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছিল। কিন্তু পরিস্থিতির পরিবর্তন না হওয়ায় আবারও আগামীকাল সকাল ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা দেয়া হয়েছে।’
এর আগে গত রোববার সকাল ৬টা থেকে দীঘিনালার জোড়াব্রিজ–সাজেক সড়কে অবরোধ শুরু করে সংগঠন দুটি। সড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছ ও টায়ার জ্বালিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হলে আটকা পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রায় সাড়ে ১২শ পর্যটক। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে বিকেল ৫টার দিকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
তবে অবরোধ প্রত্যাহারের পরও নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় ১১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭ টায় জরুরি জরুরী গণবিজ্ঞপ্তিতে সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে অনির্দিষ্টকালের জন্য ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী।
একই সঙ্গে ১৩ অক্টোবর বিকেল ৫টার মধ্যে অবস্থানরত পর্যটকদের সাজেক ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে পর্যটকেরা সাজেক ত্যাগ করায় বর্তমানে পর্যটনকেন্দ্রটি পর্যটকশূন্য। এরমধ্যেই আবারও দুই পাহাড়ি সংগঠন থেকে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ঘোষণা দেয়া হলো।





