সাজেকে গোলাগুলি: বিশেষ নিরাপত্তায় ফিরলো ৪ হাজার পর্যটক

সাজেকে গোলাগুলি
সাজেকে গোলাগুলি | ছবি: সংগৃহীত
0

রাঙামাটি সাজেক সড়কে তৃতীয় দফায় সকাল ৬টা থেকে ইউপিডিএফ নিয়ন্ত্রিত দুই সংগঠনের অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ চলছে। অবরোধের মধ্যেই সাজেক পর্যটন কেন্দ্র দ্বিতীয় দফায় সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। সাজেক পর্যটনকেন্দ্রে আটকা পড়া প্রায় চার হাজার পর্যটক নিয়ে ফেরার পথে দুপুরে সাজেকের উজোবাজার এলাকায় নিরাপত্তাবাহিনী ও অবরোধকারীদের মধ্যে গোলাগুলি ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে সেনাবাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তায় আজ (বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়েছে।

এ কর্মসূচির কারণে দূর্গাপূজার টানা ছুটিতে সাজেকের পর্যটন খাতে মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে। আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সাজেকের রিসোর্ট কটেজে শতভাগ আগাম বুকিং থাকলেও তা বাতিল করতে হয়েছে। এতে সব খাত মিলিয়ে দৈনিক প্রায় এক কোটি টাকা ক্ষতির শিকার হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে সাজেকে চলমান অস্থিরতা নিয়ে সর্বশেষ পরিস্থিতি জানাতে আজ দুপুর দুইটায় রাঙামাটি পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব নিজের কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছেন।

মূলত তিন দফা দাবি জানিয়ে জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাস ও উৎপাতের প্রতিবাদে তৃতীয় দফায় এই কর্মসূচি ঘোষণা দেয় ‘সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি’ ও ‘সাজেক কার্বারি অ্যাসোশিয়েসন’। পূর্ব ঘোষিত এই কর্মসূচি পালন করতে আজ সকাল থেকে দীঘিনালা জোড়াব্রিজ থেকে সাজেক ভ্যালি পর্যন্ত সড়কের উজোবাজারসহ সড়কের বিভিন্ন জায়গায় গাছ ও টায়ার জ্বালিয়েছে অবরোধকারীরা।

এর আগে গেল ১১ ও ১৫ অক্টোবর থেকে দুই দফায় অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ শুরু করে সংগঠন দুটি। তবে দুর্গাপূজার কারণে ১৬ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছিল। একই দিন ১১ অক্টোবর দেয়া সাজেক পর্যটনকেন্দ্রের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক। আজ ৫ দিনের সেই সময়সীমা শেষ হওয়ায় আবারও একই কর্মসূচি দিয়েছে পাহাড়ি সংগঠন দুটি।

এফএস