প্রতি বছরই ঈদের বন্ধে চট্টগ্রাম বন্দরের পাশাপাশি বিকল্প ব্যবস্থায় কাস্টম হাউসের কার্যক্রম চালু থাকলেও নানা সমস্যা ও সীমাবদ্ধতায় এর সুফল পান না সেবা গ্রহীতারা। পরিবহন সংকট ও সেবা সংস্থাগুলোর কর্মীদের অনুপস্থিতি, ব্যাংকিং লেনদেনে সমস্যার কারণে পণ্য ডেলিভারি নিতে পারেন না অধিকাংশ আমদানিকারক। ফলে বন্দরে জমে কনটেইনারের স্তূপ।
ছুটির পরে একযোগে পণ্য ডেলিভারির চাপ। তবে, এবার ঈদের ছুটিতে পাল্টেছে চিত্র। বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখতে ছুটির আগেই দুটি টাস্কফোর্সে গঠনের পাশাপাশি নিত্য খাদ্যপণ্য, শিল্পের কাঁচামাল ও জরুরি পণ্য পরিবহণ নির্বিঘ্ন করতে নেয়া হয় সমন্বিত পদক্ষেপ। যার সুফল পেয়েছে বন্দর।
ঈদের ছুটিতে সাত দিনে প্রায় ৬৪টি জাহাজ ও ৫৫ হাজার একক কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে। কমেছে বহিনোর্ঙরে জাহাজের অপেক্ষার সময় ও অবস্থানকাল।
আরও পড়ুন:
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত রহিম বলেন, ‘সাতদিনের টানা বন্ধ ছিলো। এ সাতদিন বন্ধে আমাদের বন্দরের কার্যক্রম চলমান ছিলো। যারা আমাদের স্টেকহোলডার তাদের সঙ্গে আমরা আগেই কথা বলেছি, যাতে করে আমরা কার্যক্রম চলমান থাকে।’
এবার তৎপর ছিলো বন্দরের সেবা সংস্থাগুলো। কনটেইনার ডিপো, সিএন্ডএফ ও শিপিং এজেন্টদের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনে যুক্ত ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতিসহ সব সংস্থার সমন্বিত মনিটরিং সেল গঠন করায় এ সুফল মিলেছে বলে মনে করেন বন্দর ব্যবহারকারীরা।
চট্টগ্রাম কাস্টম এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এস এম সাইফুর আলম বলেন, ‘বিগত বছরের মতো এবারও ঈদের সময়ে যেন কোনো সংকট তৈরি না হয় এ জন্য আমরা একটা মনিটরিং সেল গঠন করেছি। যাতে কারে আমরা সবাই এক ছাতার নিচে এসে একত্রিত হয়েছি। আর আমরা সবাই এক সঙ্গে কাজ করেছি।’
ঈদের সাত দিনে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার ডেলিভারি হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার টিইইউএস। বর্তমান বন্দরে কনটেইনার আছে ৪২ হাজার ৬৮৫ টিইইউএস।




