নিহতের বাবা মামুন মিয়া বলেন, তাওহীদ বেকার থাকায় এলাকার মাদকাসক্ত যুবকদের সঙ্গে মিশে মাদক সেবনে জড়িয়ে পরে এবং বিভিন্ন সময় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারামারিও হয়। গত দুইদিন আগে মুদি দোকানদার মোহাম্মদের সঙ্গে বকেয়ার টাকা নিয়ে তাওহীদ মধ্যে ঝগড়া হয়। ঝগড়া পর মোহাম্মদ আমাকে মোবাইলে হত্যার হুমকিও দেয়।’
আরও পড়ুন:
দোকানদার মোহাম্মদ ও তার ভাই এ হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে অভিযোগ করেন নিহতের বাবা। বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করেছে। তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।




