আল-আমিন জানান, তিনি গণভোট নিয়ে গণসংযোগে ছিলেন। এসময় তার সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ জন কর্মীও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে মতবিনিময় করছিলেন। এক পর্যায়ে এক তরুণ বয়সী ছেলে তাদের অনুসরণ করছিল এবং তাকে সন্দেহ হলে থামিয়ে তল্লাশি করলে জামার ভেতরে ধারালো চাপাতি পাওয়া যায়।
তিনি বলেন, ‘ওই ছেলের কাছে চাপাতি নিয়ে অনুসরণের কারণ জানতে চাইলে সে জানায়, এক লোক নাকি তাকে অস্ত্র নিয়ে অনুসরণ করতে বলেছে। এলাকাটি মাদক ও কিশোর গ্যাং সদস্যদের জন্য অভয়ারণ্য। মুহূর্তের মধ্যেই ওই ছেলের সঙ্গে বেশকিছু লোকজন জড়ো হয়ে যায়। তখন স্থানীয়রা আমাকে সেফলি গাড়িতে তুলে দিয়ে চলে যেতে বলেন।’
আরও পড়ুন:
এ সুযোগে অস্ত্রধারী ওই তরুণ পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় জানিয়ে আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, ‘তবে, বিষয়টি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। তারা এ বিষয়ে তড়িৎ ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন।’
ওই তরুণকে দৌঁড়ে ধরতে গিয়ে ধস্তাধস্তিতে অন্তত দু’জন এনসিপি কর্মী আহত হয়েছেন বলেও জানান দলটির এ নেতা।
আহতরা হলেন এনসিপির ছাত্র-উইং ছাত্রশক্তির মহানগর কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব মারুফ সরকার (২১) ও ফতুল্লা থানা কমিটির সংগঠক আবু তাহের। তবে তাদের আঘাত সামান্য বলে জানান আল আমিন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান বলেন, ‘আমরা ঘটনার খবর শুনেই সেখানে পুলিশের একটি টিম পাঠাই। কিন্তু সেখানে কাউকে পাওয়া যায়নি। আমরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি। জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’





