এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, ‘বন্দর সচল আছে। আমি দুই ঘণ্টা বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে কথা বলেছি। তারা সবাই কাজে যাবে। কেউ বাধা দিবে না।’
এসময় কর্মচারীদের একটি অংশ জনগণকে জিম্মি করে বন্দরে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে শ্রমিকদের পক্ষ থেকে ধর্মঘট তুলে নেয়ার বিষয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘বন্দর যে আইনে চলে, সেই আইনের প্রতি এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধাশীল থাকতে হবে। কেউ যদি বিপথগামী হয়ে অন্য কারো আনুগত্য বেছে নেয়, সেটা কর্মকর্তা-কর্মচারী আচরণ বিধির সম্পূর্ণ পরিপন্থী।’
বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, ‘যারা এসব করছে তারা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ও জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। রমজানের আগে এ ধরনের একটা কাজ করে জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টির পরিকল্পনা করছে তারা।’
উল্লেখ্য, নিউমুরিং টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানির কাছে ইজারা দেয়ার প্রতিবাদ, বন্দর চেয়ারম্যানকে প্রত্যাহার করাসহ চার দফা দাবিতে রোববার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেয় চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। এতে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের জেটি ও বহির্নোঙরে কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে।



 M Sakhawat Hossain-320x167.webp)

