তিনি বলেন, ‘শুল্ক চুক্তির ফলে সবমিলিয়ে বলা যায় ৯০ শতাংশ পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশকে শূন্য শুল্ক সুবিধা দেবে যুক্তরাষ্ট্র। এমন বাণিজ্য চুক্তি পৃথিবীর আর কোনো দেশ করতে পেরেছে কি না আমি জানি না।’
এসময় যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে আগ্রহী নয়। তবে বাংলাদেশি পণ্যে মার্কিন শুল্ক ১৯ শতাংশে নামিয়ে আনা বড় অর্জন বলে দাবি করেছেন তিনি।
বাংলাদেশ বাণিজ্যিকভাবে লাভবান হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে এক লাখ কোটি টাকার বেশি পণ্য রপ্তানি হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। এরমধ্যে ৮৬ শতাংশই তৈরি পোশাক থেকে আসে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিবে ট্রাম্প প্রশাসন। এটা বাণিজ্যের জন্য অনেক বড় অর্জন।’
আরও পড়ুন:
শুল্ক চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল ও সুতা রপ্তানি বাড়বে। তবে নির্বাচিত সরকার চাইলে শুল্ক চুক্তি থেকে বের হয়ে আসতে পারবে। সেই ধারাও চুক্তিতে সংযুক্ত আছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘রমজানের বাজার দর দিয়েই আমাদের কাজের মূল্যায়ন করবে জনসাধারণ। মূল্যস্ফীতি সার্বিকভাবে কমছে। এমন সব পদক্ষেপ নিয়ে রেখেছি নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এসে ভোজ্য তেলের দাম কমাতে পারবে। নিত্য পণ্যের বাজার সহনীয় করতে পারবে। শেখ হাসিনার নির্দেশনায় এস আলমসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান নিত্য পণ্যের বাজার জিম্মি করে রেখেছিল।’
এ সময় দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে সরকার যৌথভাবে করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।





