তিনি বলেন, ‘শিক্ষা কারিকুলামে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, ক্রীড়া ও সংস্কৃতির বিকাশ, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস বা আনন্দময় শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে।’
অর্থমন্ত্রীর ভাষ্য, এমন একটি শিক্ষা কাঠামো গড়ে তোলা হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধা, আগ্রহ ও পছন্দ অনুযায়ী কারিগর, প্রযুক্তিবিদ, কৃষি উদ্যোক্তা, গবেষক, শিল্পী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী বা ক্রীড়াবিদসহ বিভিন্ন পেশায় সমান মর্যাদা ও সাফল্যের সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবেন।
তিনি জানান, বাংলাদেশকে দক্ষতাভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে পর্যায়ক্রমে সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা চালু করা হবে।
আরও পড়ুন:
তৃতীয় ভাষা শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে সরকার ভাষাজ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহীদের সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি দরিদ্র শিক্ষার্থীদের স্কুল ইউনিফর্ম, জুতা ও স্কুলব্যাগ সরবরাহ করা হবে।’
প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিশেষায়িত সহায়ক প্রযুক্তি ও শিক্ষাসামগ্রীও দেয়া হবে।
এছাড়া শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে মিড-ডে মিল কর্মসূচি চালু করে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। ছাত্রী ও শিক্ষিকাদের স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করাকেও অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম এবং বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা সম্প্রসারণের কথাও জানান অর্থমন্ত্রী।




