হিলি বন্দর দিয়ে এলো ২৮ টন কাঁচামরিচ

কাঁচামরিচ আমদানি
কাঁচামরিচ আমদানি | ছবি: এখন টিভি
1

দেশের বাজারে দাম স্বাভাবিক রাখতে প্রায় ৯ মাস বন্ধের পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হয়েছে। প্রথমদিন তিনটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের চারটি ট্রাকে ২৮ টন ৪৪০ কেজি কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছে। আর বন্দরে আমদানিকৃত কাঁচামরিচ মানভেদে প্রতিকেজিতে বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা দরে। কিছুটা স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে স্থানীয় বাজারে।

আজ (সোমবার, ৩ আগস্ট) বিকেল ৪টায় ভারত থেকে কাঁচামরিচ বোঝাই একটি ট্রাক হিলি স্থলবন্দরের প্রবেশ করে। সবশেষ ২০২৫ সালের ২০ নভেম্বর এ বন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছিল।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হিলি উদ্ভিদ সংগনিরোধের উপ-সহকারী কর্মকর্তা উজ্জ্বল হোসেন।

হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়, সকালে প্রতিকেজি দেশি কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছিল ২৮০ টাকা দরে। আমদানি শুরু পর সেই কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২২০ টাকা কেজিতে তবুও ক্রেতা মিলছে না বলছেন ব্যবসায়ীরা।

আরও পড়ুন:

আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সজিব ট্রের্ডাসের প্রতিনিধি পলাশ বলেন, ‘সরকার আমদানি অনুমতি দেয়ার পর ভারতের বিহার রাজ্য থেকে এসব কাঁচা মরিচ আমদানি করা হচ্ছে। প্রতিকেজি কাঁচামরিচ বন্দরে পাইকারিতে বিক্রি হয়েছে ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে। আমদানিকৃত এসব কাঁচা মরিচ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে, আমদানি বাড়লে দাম আরও কমে আসবে।’

হিলি উদ্ভিদ সংগনিরোধের উপ-সহকারী কর্মকর্তা উজ্জ্বল হোসেন বলেন, ‘সরকার অনুমতি দেয়ার পর হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকরা কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতির জন্য আবেদন করেন। তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এখন পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দরের ৬৯ জন আমদানিকারক প্রায় ৩০ হাজার টন কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি পেয়েছে। কাঁচামরিচ আমদানিতে ব্যবসায়ীদের সবধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।’

হিলি কাস্টমসের সহকারী কমিশনার খন্দকার সোলাইমান বলেন, ‘দীর্ঘদিন বন্ধের পর কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হয়েছে এই বন্দর দিয়ে। আমদানিকৃত প্রতিটন কাঁচা মরিচ সর্বনিম্ন ৫০০ ডলারে শুল্কায়ণ করা হচ্ছে। কাঁচা মরিচ যেহেতু কাঁচা পণ্য তাই দ্রুততার সঙ্গে বন্দর থেকে ছাড়করণে ব্যবসায়ীদের সবধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।’

এসএস