প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৬: একনজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- পরীক্ষার তারিখ: ৯ জানুয়ারি ২০২৬ (শুক্রবার)।
- ফল প্রকাশের লক্ষ্য: পরীক্ষা শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে।
- সম্ভাব্য তারিখ: ২০ জানুয়ারি থেকে ২৫ জানুয়ারি ২০২৬-এর মধ্যে।
- মূল্যায়নকারী প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)।
- মোট শূন্য পদ: ১৪,৩৮৫টি (দুই ধাপ মিলিয়ে)।
- মোট আবেদনকারী: ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০ জন।
- প্রতি আসনের বিপরীতে পরীক্ষার্থী: গড়ে প্রায় ৭৫ জন।
- ফল দেখার ওয়েবসাইট: dpe.gov.bd অথবা dpe.teletalk.com.bd।
- পরবর্তী ধাপ: লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের জেলাভিত্তিক মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) শুরু হবে।
আরও পড়ুন:
ফল প্রকাশ ও মূল্যায়ন প্রক্রিয়া (Result Evaluation Process)
শনিবার (১০ জানুয়ারি) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সভায় ফলাফল প্রস্তুতের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
অধিদপ্তরের লক্ষ্য: সাধারণত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। সেই হিসেবে ২০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে ফলাফল প্রকাশের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মূল্যায়নে বুয়েট: পরীক্ষার উত্তরপত্র বা ওএমআর শিট (OMR Sheet) মূল্যায়নের দায়িত্ব পালন করছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (BUET)। বুয়েটের বর্তমান ভর্তি পরীক্ষার ব্যস্ততার মাঝেও ডিপিই-এর লক্ষ্য হলো ১৫ দিনের মধ্যে কাজ শেষ করা।
সম্ভাব্য তারিখ: অধিদপ্তরের গবেষণা কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, সব কিছু ঠিক থাকলে ২০ জানুয়ারির মধ্যে ফলাফল প্রার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। তবে কোনো কারণে দেরি হলে তা চলতি জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত গড়াতে পারে।
আরও পড়ুন:
প্রতিযোগিতা ও পদের পরিসংখ্যান (Exam Statistics)
এবারের নিয়োগ পরীক্ষাকে দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় চাকরির পরীক্ষা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
- মোট শূন্য পদ (Total Vacancy): ১৪,৩৮৫টি।
- মোট পরীক্ষার্থী (Total Applicants): ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০ জন।
- প্রতি আসনের বিপরীতে লড়ছেন (Competition per Seat): প্রায় ৭৫ জন।
কাট অফ মার্কস (Cut-off Marks): শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণত মেধা তালিকার ভিত্তিতে জেলা ও উপজেলাভিত্তিক আলাদা কাট অফ মার্কস নির্ধারিত হয়। তবে ধারণা করা হচ্ছে, ৬০-৬৫ নম্বর পেলে ভাইভার জন্য ডাক পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
চূড়ান্ত ফল ও ভাইভা (Final Result & Viva): লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশের ৭-১০ দিনের মধ্যে জেলাভিত্তিক মৌখিক পরীক্ষা (Viva-Voce) শুরু হতে পারে। ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহেই চূড়ান্ত ফলাফল (Final Merit List) প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুন:
মৌখিক পরীক্ষা ও পরবর্তী ধাপ (Viva Exam & Next Steps)
লিখিত পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হবেন, তাদের জন্য পরবর্তী ধাপ হলো মৌখিক পরীক্ষা বা ভাইভা (Viva-Voce)।
ভাইভা নম্বর বণ্টন: মৌখিক পরীক্ষায় সাধারণত ২০ নম্বর থাকে। এর মধ্যে সার্টিফিকেট ও একাডেমিক ফলের ওপর ১০ এবং ব্যক্তিত্ব ও সাধারণ জ্ঞানের ওপর ১০ নম্বর বরাদ্দ থাকে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নাগরিক সনদ, এনআইডি, সকল পরীক্ষার মূল সার্টিফিকেট এবং প্রশংসাপত্রসহ আবেদনপত্রের কপি সাথে রাখতে হবে।
আরও পড়ুন:





