আরও পড়ুন:
ফল প্রকাশে দেরি হওয়ার কারণ (Reason for Delay)
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসন বিভাগের উপ-পরিচালক জানিয়েছেন, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি হওয়ায় তথ্য যাচাই ও ফল তৈরিতে বাড়তি সময় লাগছে। আইনি জটিলতার কারণে এবারের পরীক্ষা কয়েক দফা পিছিয়ে ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বর্তমানে দ্রুততম সময়ে নির্ভুল ফল (Accurate Results) প্রকাশের জন্য কাজ করে যাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বৃত্তির সংখ্যা ও কোটা পদ্ধতি (Scholarship Quota and Allocation)
এ বছর মোট ৮২ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হবে। বৃত্তির এই সংখ্যাটি সরকারি ও বেসরকারি (কিন্ডারগার্টেন) দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে:
- সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়: ৬৬ হাজার শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে।
- বেসরকারি বিদ্যালয় (KG): ১৬ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে।
মেধা তালিকা ও বৃত্তির হার (Merit List and Allowance)
মোট বৃত্তির মধ্যে ট্যালেন্টপুলে (Talentpool Scholarship) ৩৩ হাজার এবং সাধারণ গ্রেডে (General Scholarship) ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী নির্বাচিত হবে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী বৃত্তির হার নিচে দেওয়া হলো:
- ট্যালেন্টপুল বৃত্তি: মাসে ৩০০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা।
- সাধারণ বৃত্তি: মাসে ২২৫ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা।
পঞ্চম শ্রেণি পাশের পর পরবর্তী দুই বছর এই আর্থিক সুবিধা বহাল থাকবে। এছাড়া ভবিষ্যতে বৃত্তির অর্থ দ্বিগুণ থেকে চার গুণ পর্যন্ত বাড়ানোর একটি প্রস্তাবনাও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আরও পড়ুন:





