
রাজনৈতিক অস্থিরতায় আটকে আছে মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা
গত কয়েক বছরে শিক্ষার হার কিছুটা বাড়লেও ঘাটতি রয়েছে মানসম্মত শিক্ষার, আর সেই সঙ্গে বেড়েছে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। অনেক সময় পরিবারের কাছ থেকে সার্পোট না পাওয়াও ঝরে পড়ার কারণ হিসেবে বলছেন অনেকে। আর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা, কারিকুলাম জটিলতা ও কর্মসংস্থানের ঘাটতিসহ নানা জটিলতায় আটকে আছে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা।

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা কবে? জানালো অধিদপ্তর
অবশেষে প্রকাশিত হয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল (Primary Assistant Teacher Recruitment Result 2026)। এবারের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন মোট ৬৯ হাজার ২৬৫ জন পরীক্ষার্থী। ফল প্রকাশের পর এখন প্রার্থীদের মনে প্রধান প্রশ্ন— প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা কবে? (When is the primary teacher recruitment viva exam?)

গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তেও প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ মেলেনি: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্নফাঁসের যে অভিযোগ উঠেছিল, গোয়েন্দা সংস্থার পূর্ণাঙ্গ তদন্তেও তার প্রমাণ মেলেনি বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ কারণে এ পরীক্ষা নিয়ে আর কোনো বিতর্ক নেই। এখন খুব শিগগির ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ মেলেনি, ফল প্রকাশ কবে?
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় (Primary Assistant Teacher Recruitment Exam) প্রশ্নফাঁসের যে অভিযোগ চাকরিপ্রার্থীরা তুলেছেন, তার কোনো ‘বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ’ পায়নি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE)। ফলে বহু প্রতিক্ষিত এই পরীক্ষা বাতিল হচ্ছে না (Exam Not Cancelled)। বর্তমানে পুরোদমে ফল প্রস্তুতির কাজ (Result Processing) চলছে এবং চলতি মাসেই ফল প্রকাশ করা হবে।

শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা কি বাতিল হচ্ছে? যা বললেন প্রাথমিকের ডিজি
গত ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা (Assistant Teacher Recruitment Exam) বাতিলের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে মিরপুরের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE)। প্রশ্ন ফাঁস (Question Leak) ও ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতির অভিযোগে আজ (রোববার, ১১ জানুয়ারি) সকাল থেকেই কয়েক হাজার পরীক্ষার্থী অধিদপ্তর (Primary Teacher Recruitment Exam Cancellation Update) ঘেরাও করে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল, নতুন সময়সূচি কবে?
অনিবার্য কারণবশত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (Directorate of Primary Education - DPE) একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। গত ২৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ‘অফিস সহকারী-কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক’ পদের ওই পরীক্ষাটি বাতিল ঘোষণা করে গতকাল (সোমবার, ৫ জানুয়ারি) একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে অধিদপ্তর।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার নতুন সময়সূচি প্রকাশ, নতুন নির্দেশনা জারি
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫’ (Primary Assistant Teacher Recruitment 2025) লিখিত পরীক্ষার সময়সূচিতে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগামী (শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি) সকালে এই পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও প্রশাসনিক কারণে তা পিছিয়ে বিকেলে নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্থগিত হলো প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষা
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া হিসাব সহকারী পদের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। অনিবার্য কারণবশত আজকের (শুক্রবার, ২৬ ডিসেম্বর) এ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

বেতন পেতে প্রাথমিকের শিক্ষক-কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকতে হবে কর্মস্থলে
শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের বেতন পেতে কর্মস্থলে উপস্থিত থাকতে হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। কর্মস্থলে উপস্থিতির সঠিক প্রত্যয়ন ছাড়া আর কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারী বেতন–ভাতা তুলতে পারবেন না বলেও জানানো হয়েছে।

৫৩৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হচ্ছে
সারাদেশের ৫৩৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এর মধ্যে রয়েছে ৬৪টি জেলায় বিদ্যমান ৪৮৮টি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১০টি সিটি করপোরেশন এলাকায় নির্বাচিত ৪৬টি বিদ্যালয়।

অর্থ লোপাটের তদন্তভার অভিযুক্তের কাঁধে!
গত বছরের ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবের ক্ষত আজও বয়ে বেড়াচ্ছে বরগুনার উপকূল। সাইক্লোন শেল্টার হিসেবে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মেরামতে উঠেছে অর্থ লোপাটের অভিযোগ। যে অভিযোগ কোনো ঠিকাদারের বিরুদ্ধে নয়, খোদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও উপজেলার শিক্ষা অফিসের বিরুদ্ধেই। সেই অভিযোগের আবার তদন্ত করছেন জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আপিল
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণ ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগ বাতিল করে দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।