গত কয়েক বছরে যুক্তরাজ্যের অভিবাসন নীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। লেবার পার্টি ক্ষমতায় আসার পর এবং শাবানা মাহমুদ হোম সেক্রেটারির দায়িত্ব নেয়ার পর এটি আরও ত্বরান্বিত হয়েছে, যা অভিবাসী কমিউনিটিতে উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে।
প্রবাসী একজন বলেন, ‘দিন দিন সরকার প্রবাসীদের জন্য নতুন নতুন আইন জারি করছে। এতে প্রবাসীরা চাপের মুখে পারছে।’
ভিসা সহজীকরণে স্টুডেন্ট ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিটে ডিপেনডেন্ডসহ বৈধ পথে কয়েক লাখ অভিবাসী যুক্তরাজ্যে পাড়ি দিয়েছেন। ফলে আগামী দু' এক বছরের মধ্যে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদন করতে পারেন কয়েক লাখ অভিবাসী। এতে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে চাপে পড়েছে স্টারমার সরকার।
আরও পড়ুন:
আগামী ৭ মে যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইমিগ্রেশন আইন আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। অভিবাসীবান্ধব লেবার সরকার সাম্প্রতিক কঠোরতায় ভোট হারানোর আশঙ্কায়। গ্রিন পার্টি ও নাইজেল ফারাজের রিফর্ম ইউকের চাপ সামলাতে কৌশলগত হিমশিম খেতে হচ্ছে লেবার সরকারকে।
যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক বিশ্লেষক বুলবুল হাসান বলেন, ‘অসংখ্য সমস্যার মধ্যে মূল সমস্যা হলো অভিবাসন সমস্যা। বর্তমানে লেভার পার্টির একটা অভিবাসন বিরোধী পদক্ষেপ রয়েছে।’
নির্বাচন ঘিরে পর্দার আড়ালে নতুন এক সমঝোতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে, ফ্যামিলি ও ওয়ার্ক ভিসা নিয়ে গত কয়েক বছরে ব্রিটেনে আসা হাজার হাজার অভিবাসীর স্থায়ী বসবাসের আইএলআর ভাগ্য নিয়ে এখন ওয়েস্টমিনস্টারের অন্দরমহলে চলছে ব্যাপক আলোচনা।





