ছবি ফাঁস থেকে সরকারি সাইটে প্রবেশ, এআই এজেন্ট নিয়ে উদ্বেগ

ওপেন এআইয়ের লোগো
ওপেন এআইয়ের লোগো | ছবি: সংগৃহীত
0

চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের ৫৩টি ছবি ফাঁস করেছে ওপেন এআইয়ের এজেন্টরা। গতকাল (শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর) খবরটি নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। শুধু তাই নয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এজেন্টরা সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এবং বাণিজ্য বিভাগসহ মার্কিন সরকারের বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে তথ্য হাতিয়ে নিয়েছিল। তবে ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের ঘটনা সামনে আসায় এজেন্টের কার্যকলাপের পূর্ণাঙ্গ পরিধি বুঝতে কাজ করছে ওপেনএআই।

অনলাইনে তথ্য খুঁজতে গিয়ে বেশ কিছু ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছে ওপেন এআই’র বেশ কিছু এজেন্ট। অবশ্য ওয়েবসাইটে এআই বটগুলো যেসব অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ড চালিয়েছে সেসব সরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় ও পাবলিক এজেন্সিকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ওপেন এআই কর্তৃপক্ষ।

এসব প্রতিষ্ঠানগুলো মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন বা এসইসি, আদমশুমারি অধিদপ্তর এবং শিক্ষা বিভাগ। অবশ্য সরকারি যেসব তথ্য এআই এজেন্টরা সংগ্রহ করেছে তা প্রকাশ্য ছিল বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটির। তবে কিছু ক্ষেত্রে বটগুলো ওয়েবসাইটের নিরাপত্তাব্যবস্থা পাশ কাটানোর চেষ্টা করে।

শুক্রবার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে ওপেন এআই। এছাড়াও সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের ৫৩টি ছবি ফাঁস করেছে এজেন্টরা। পাশাপাশি ছবিগুলো অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে এসব এআইএজেন্ট। অবশ্য ব্যবহারকারীরা মডেল প্রশিক্ষণে নিজেদের তথ্য ব্যবহারের অনুমতি দিলেও ওপেন এআই স্বীকার করেছে ছবি স্থানান্তরের বিষয়টি ঠিক ছিল না।

তবে ছবিগুলো কখন পোস্ট করা হয়েছিল সে বিষয়ে কিছুই জানায়নি ওপেন এআই। তবে ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের ঘটনা সামনে আসায় এজেন্টের কার্যকলাপের পূর্ণাঙ্গ পরিধি বুঝতে কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন:

এমন পরিস্থিতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি বিশেষ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন টেসলা ও স্পেসএক্সের সিইও ইলন মাস্ক। জানান, বৈশ্বিক মান নিশ্চিত করতে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে অবশ্যই একক দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে প্রসারিত করতে হবে।

ইলন মাস্ক বলেন, ‘নিরাপত্তা ব্যবস্থা নির্ধারণের জন্য একটি কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা যেতে পারে। কেননা যেকোনো দেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে কীভাবে আইন প্রয়োগ করা হবে তাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তবে এটি নিশ্চিতে প্রয়োজন চীন-মার্কিন সহযোগিতা।’

এদিকে মানুষের কাজ সহজ করতে তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এবার নিজেই তৈরি করছে নতুন উদ্বেগ। তাই এসব এজেন্টকে স্বায়ত্তশাসিত করার সঙ্গে সঙ্গে তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে রাখার বিষয়টাও জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এসএস